staff-blog
শিরোনাম নেই

বারাসতের কামদানি মোড় কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। মাটি ভিজে। ভেজা পাতায় জংলা গন্ধ। কনে দেখা আলোয় বাড়ি ফিরছিল অনামী অঙ্গনা। ভেড়ির গায়ে বড় পাঁচিল লুকিয়ে আছে ওরা। আর একটু...। তারপরেই ঝাঁপিয়ে পড়বে। ছিঁড়ে, খুঁড়ে খাবে শরীরটাকে।

staff-blog
staff-blog
ফোঁস করতে ভুলে গেছি?

পাশে থাকার অঙ্গীকারেই আমাদের আত্মসন্তুষ্টি। নেই কাঁধে কাঁধ দিয়ে লড়াইয়ের ক্ষমতা। আমরা স্বান্তনা দিতে পারি। বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি না।

staff-blog
staff-blog
হেব্বি লাগছে

বছর শেষে একেবারে রগরগে উত্তেজনা। এরমধ্যেই বাংলায় নব্যযুগের নবনায়কের আর্বিভাব। একেবারে আজ কি অর্জুন। একতিরিশে ডিসেম্বরের শরীর হিট করা রাত। দোঘোটের কেরামতিতে মঞ্চে আমরা সবাই রাজা। তিনি মঞ্চে এলেন। পাশে এলি বেলি-দোলানো চেড়ি ড্যান্স। দাদা নাচছেন। ভাই নাচছেন। খইয়ের মতো উড়ছে টাকা। হেব্বি লাগছে তো? দাদার প্রশ্ন। প্রতিষ্ঠাতা দিবস বলে কথা। বীরের এ রক্ত স্রোত মাতার এ অশ্রুধারা তাতে কী চোনা দেওয়া যায়। কত স্বপ্নের বিনিময়ে এই ইজ্জতের পরিবর্তন। বছর শেষে তাঁর স্মরণে যদি একটু ট্যাঙ্গো ড্যান্স না হয় তাইলে চলে। ফুলটুস মস্তি চাই। শহীদ দিবসে পাগলু ড্যান্স দিয়ে বীর সেনানিদের শ্রদ্ধার্ঘ। পথ দেখিয়েছেন দিদি। সেই পথেই তো চলেছে ভাইয়েরা। আপনারা না বড় ইয়ে আছেন। কথায় কথায় সিল্প, সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। মানে আমাদের সংস্কিতির জেঠুরা। আরে সংস্কিতি কী শুধু তোমরাই বোঝ? আসলে হিংসা। মনে শখ ষোল আনা, বুকে শুধু লাজ। এস ভাই ময়দানে নাম। দিবে আর নিবে মিলাবে মিলিবে। এতো কবিগুরুই বলে গেছেন। তবে আর লজ্জা কী। তার সঙ্গে তিনি এও বলেছেন যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো। তাই আমরা চলি সমুখ পানে। কে আমাদের রুখবে ভাই। হেব্বি লাগছে...

staff-blog
staff-blog
জাগো দলপ্রহরণধারিনী...

গত কয়েকদিন প্রায় পাগল পাগল অবস্থা। রাতে স্বপ্ন দেখলুম জানেন। মানে দুঃস্বপ্ন। গান তাড়া করে বেড়াচ্ছে। আঁকশি নিয়ে এগিয়ে আসছে। অক্টোপাসের আট-দাঁড়া নিয়ে মাথার চুল খামচে ধরছে। কানে গমগম করে বাজছে জেগে ওঠার গান। যেদিকে তাকাই সোনার আলোর মত। যে দিকে ছুটি সেদিকেই জেগে ওঠার গান। জাগো, তুমি জাগো, জাগো দুর্গা, জাগো দশপ্রহরণধারিনী... ভোর রাতে 'জাগো'র গান, খটখটে রোদ্দুরে 'জাগো'র গান, পড়ন্ত বিকেলে 'জাগো'র গান, বেজেই চলেছে মহালয়া। মহালয়া নয়, একেবারে মহাপ্রলয়া। স্বপ্নের মধ্যেই কাছা তুলে দৌড় লাগালাম। পিচকালো রাস্তার এক মোড় পেরিয়ে নতুন মোড়। হাঁফাচ্ছি। দম নেওয়ার চেষ্টা করছি। ব্যাস আবার শুরু হল। জাগো তুমি জাগো, জাগো দশপ্রহরণধারিনী...

staff-blog
staff-blog
মন লাগে না কাজে...

পুজোর পর পাঠশালায় এক আনমনা ছাত্রের কথা। স্মৃতির বাইনোকুলারে চোখ রাখলে হয়তো পুজোর পর তোমার-আমার ছেলেবেলাটাও এমনই পা দোলানোর। সকালে আলিস্যি। দুপুরটা ফাঁকা। সন্ধেটা মনখারাপের। মা প্যান্ডেল থেকে সি অফ করলে কী হবে? শিউলি সকাল, আর সুনীল আকাশের ছড়ানো মেঘে যে তখনও টাটকা চারদিনের কড়া নেশা। রাস্তা ভরা মাথার সারি, আলোর রোশনাই, হাজার মানুষের কলতান, গ্রাম শহরের ঐক্যবদ্ধ লং মার্চ, সব কি এক নিমেষে হারায়?

staff-blog
apnar-rai
blog-img

ইন্টারভিউ নেওয়ার ডেট ঠিকঠাক. নিজে ফোন করে কনফার্ম করেছেন. অতএব ক্যামেরা, লাইটস বুক করা হয়ে গেছে. আগের দিন মাঝরাতে হঠাত্ ফোন, “কাল পারব না গো, ফুলকলি!”

blog-img

তেজ কমতে শুরু করলে অনেক সাংবাদিকের তরুণ হয়ে ওঠার ইচ্ছে হয়। চামড়ায় ভাঁজ, চুলে রুপোলি ঝিলিক ছাপিয়ে বেরনো নিজেদের পদের জোর আর ক্ষমতার আতিশয্যে নিজেদের বড় “তেজস্বী” ভাবতে থাকেন।

blog-img

হর দিন “মা” এপিসোডের পর হপ্তান্তে যেমন “মহা-মা” হয়, সফট ড্রিঙ্ক কোম্পানি যেমন নয়া বোতল বাজারে আনার সময়ে “মহা” প্রিফিক্স জোড়ে, বারোয়ারি দুর্গাপুজো হঠাত্ই কনটেস্টে নামবার আগে “মহা”পূজা নামে এফিডেভিট করায়, তেমনি এ বছরের কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবেও লক্ষ্মণরেখা মুছে দিয়ে মহোত্সব হল।

blog-img

চব্বিশ বছর। দু`যুগ কাটিয়ে টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়াতে চলেছেন সচিন রমেশ তেন্ডুলকর। একদিনের ক্রিকেট থেকে আগেই সরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বিদায় জানিয়েছেন টি-২০কেও।

  • ফুলকলি

  • Raya Debnath

  • সুদীপ্ত সেনগুপ্ত

  • সোমশুভ্র মুখোপাধ্যায়

  • কুশল মিশ্র

  • সৌরভ গুহ

  • অমৃতাংশু ভট্টাচার্য

  • রাহুল পুরকায়স্থ

  • মৌপিয়া নন্দী