staff-blog
ধন্যি ছেলের অধ্যবসায়!

রচনার শিরোনাম দেখে অনিবার্যভাবে মনে পড়ে যাবে সুকুমার রায়কে। মনে পড়ে যাবে গঙ্গারামকে। কিন্তু আমাদের ছেলেটি কোনওদিন ফেল করেনি। সে বরাবরই ফার্স্ট বয়। সে 'পাঁচ জনের একজন নয়, একেবারে পঞ্চম'। তার সময়ে সে-ই ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। তার ব্যাটিং দেখলে আট বছরের বালকের চোখে রোদ্দুর খেলা করে। সে ক্লান্ত করনিকের সেরা বিনোদন, অশীতিপর বৃদ্ধের বাঁচার অক্সিজেন। আক্ষরিক অর্থেই গত দু'দশক ধরে ভারতীয় ক্রিকেটের অভিভাকের নাম সচিন তেন্ডুলকর। বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত নামও সে।

staff-blog
staff-blog
বিপদ সঙ্কেত

জয়পুরের সাহিত্য সম্মেলনে আসতে পারেননি সলমন রুশদি। তসলিমা নাসরিনের আত্মজীবনী প্রকাশ করেনি কলকাতা বইমেলা কর্তৃপক্ষ। দেশের দুই প্রান্তের এই দুই ঘটনাই আমাদের লজ্জিত করে।

staff-blog
staff-blog
আমরা বেসেছি যারা...

তার অপেক্ষাতেই ছিল সবাই। অবশেষে সে এল, একেবারে নিঃশ্বব্দেই। কাল কিছুটা অন্যমনস্ক হয়েই আলমারি থেকে বের করে চাপিয়ে নিলাম ফুলহাতা সোয়েটারটা।
তারপরেই একটা উষ্ণতার অনুভূতি পেলাম। চমকও ভাঙল তখনই। বুঝলাম শীত এল।

staff-blog
staff-blog
অভ্যাসের জীবন

বৃহত্ জীবনের কাজের কথাও বলছি না, রোজকার জীবনের ছোট খাটো অভ্যাসেও আমরা দায়সারা, শৃঙ্খলাহীন।

staff-blog
staff-blog
আমাদের পুজো

এসে গেল আরও একটা পুজো। সেজে উঠছে প্রতিটি মণ্ডপ। পাড়ায় পাড়ায় ব্যস্ততা। নিদ্রাহীন কুমোরটুলি। আবারও একটা পুজোয় মেতে উঠতে তৈরি হচ্ছে বাঙালি। কিন্তু সত্যিই কি আমরা ততটা মেতে উঠতে পারি? লাগামহীন আনন্দে ভাসিয়ে দিতে পারি নিজেকে? প্রশ্নটা এই জন্য যে আমরা কি এই চার-পাঁচটা দিনকে বাকি দিনগুলি থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারি ? আমাদের প্রত্যেকের জীবনই তো গতকালের সঙ্গে আজ, আজকের সঙ্গে আগামিকাল অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।

staff-blog
apnar-rai
blog-img

আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।

blog-img

বর্তমান রাজ্য সরকার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে পুনঃ প্রতিষ্ঠিত করার প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই রকম বর্বর হামলা এখন হয় না, সাত আট শো বছর আগে হত। বিশ্বমানের শিক্ষাবিদরা গবেষণাগারে বর্শা এবং লোহার রডের আস্ফালন দেখতে অভ্যস্ত নন। বিশ্বমানের ছাত্রীরা ক্যাম্পাসের মধ্যে বাইরের গুন্ডাদের থেকে ধর্ষণের হুমকি শোনেন না এবং ছাত্ররা ক্লাসের মধ্যে গুন্ডাদের মারে রক্তাক্ত হন না। ১০ এপ্রিলের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে প্রেসিডেন্সির পুনরুজ্জীবন উদ্যোগে বাধা পড়তে বাধ্য।

blog-img

দোলনায় দুলতে রাজি আছি, কিন্তু দোল না! স্কিনে মেলানিন বেড়ে যাবে, কমপ্লেকশনের বারোটা বেজে যাবে, চুলের টেক্সচারের বারোটা বেজে যাবে। বিরিবিরি আবির ভরা মাথা ইঃ, দাঁতমুখে কালি ছিঃ, কনট্যাক্ট লেন্সে বালি.. এ কি ভদ্রমহিলাদের খেলা! বিশেষ করে আমার মতো সুন্দরীরা দোল খেলে না। যবে থেকে আয়নায় সেল্ফ-অ্যাডমিরেশন শুরু করেছি, তবে থেকেই দোলের দিন প্রচুর অমিতাভ বচ্চনের ছবি আর এফ এম শুনি, সেফ সাইডে থেকে। জিজ্ঞেস করলেই সোজা হিসেব দিই, সবাই যদি রং-বালতি-পিচকিরি নিয়ে নেমে যায়, তবে দেখবে কে?

blog-img

এই তো সেদিন, গ্রীষ্মের এক দীর্ঘ দুপুরে পাঁচ সন্তানকে স্থবির করে চলে গেলেন মা। তীব্র কান্নায় খানখান হাসপাতাল। দূরে বিমূঢ় জিজ্ঞাসা নিয়ে দাঁড়িয়ে পিতা। অর্ধশতাব্দীরও আগে তিনি এসেছিলেন। পুতুল খেলার পর্ব পেরিয়ে তখন সদ্য চু-কিতকিতে ওস্তাদি চলছে।

  • সৌপভ গুহ

  • সুদীপ্ত সেনগুপ্ত

  • ফুলকলি

  • সোমশুভ্র মুখোপাধ্যায়

  • কুশল মিশ্র

  • অমৃতাংশু ভট্টাচার্য

  • রাহুল পুরকায়স্থ

  • মৌপিয়া নন্দী

  • সাম্যব্রত জোয়ারদার