staff-blog
মালালার ডাইরি

আমি এখনও ঘুমিয়েই রয়েছি। সবাই অনেক চেষ্টা করছেন আমাকে ঘুম থেকে তোলার। কিন্তু আমার ঘুম ভাঙছে না। সবাই ভাবছে আমি খুব কষ্টে আছি। সবাই ইন্টারনেটে, ফেসবুকে আমাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। আমার আরোগ্য কামনা করে মোমবাতি জ্বালাচ্ছে। কিন্তু ওরা কেউ জানে না এক কদিনে কী আনন্দে আছি আমি। কোনও যন্ত্রণাই আমাকে স্পর্শ করছে না আমাকে। কোনও গুলির আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি না আমি। কেউ আমাকে ধর্ষণ অথবা খুনের হুমকিও দিচ্ছে না। আমার চারপাশে আর কোনও আততায়ী নেই। আছে রাষ্ট্র প্রধানেরা। আমার নিজের দেশ থেকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, সবাই নাকি আমার খবর নিচ্ছেন, আরোগ্য কামনা করছেন। আসলে ওরা কেউ ঘুমতে পারছেন না। যদি পারতেন -তাহলে জানতেন ঘুমে কী অফুরন্ত শান্তি। কয়েকটা বুলেট যে ঘুম উপহার দিয়েছে এই কদিন। এখন আমি বুলেটকেও আর ভয় পাই না। ও আমার বন্ধু।

staff-blog
staff-blog
আমাদের লক্ষ্যপৃথিবীর সব মানুষের কাছে পৌঁছনো।

এই লক্ষেই আজ থেকে শুরু পথচলা । বাংলার রাজনীতি, অর্থনীতি, সামাজিক অবস্থানকে বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্যই ওয়েব যাত্রা। বাংলা সাহিত্য অনেকদিন আগেই বিশ্বের দরবারে একটা স্থান অধিকার করেছে। পঁথের পাঁচালির হাত ধরে বাংলা সিনেমা সেই পঞ্চাশের দশক থেকেই সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে খুবই সমাদৃত। বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে থাকা বাঙালির কাছে খুবই পরিচিত বাংলা গান। আজন্ম ইউরোপ বা আমেরিকাতে থাকা বাঙালিও খুব সহজেই শোনেন আধুনিক থেকে ভাটিয়ালি সুর । বাংলার চিত্রকলার ভাষা সম্বন্ধেও অবগত এই মানুষেরা । তথ্য প্রযুক্তিতে বিপ্লবের পর বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে থাকা বাঙালির কাছেই তাঁর নিজস্ব সংস্কৃতি সম্বন্ধে খোঁজ খবর রাখা এখন আর কোনও শক্ত কাজ নয়।

staff-blog
apnar-rai
blog-img

বারাসতের কামদানি মোড় কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। মাটি ভিজে। ভেজা পাতায় জংলা গন্ধ। কনে দেখা আলোয় বাড়ি ফিরছিল অনামী অঙ্গনা। ভেড়ির গায়ে বড় পাঁচিল লুকিয়ে আছে ওরা। আর একটু...। তারপরেই ঝাঁপিয়ে পড়বে। ছিঁড়ে, খুঁড়ে খাবে শরীরটাকে।

blog-img

-লিঙ্কটা কোথায় পাঠালে, পেলাম না তো ভাই?...
-পাঠিয়েছি ঋতুদা। মেলটা একবার ভালভাবে চেক করুন।
-আমার ব্ল্যাকবেরি থেকে শুধু ছবি দেখা যাচ্ছে গো। লেখাটা আইপ্যাড থেকে দেখে নিয়ে তোমাকে জানাচ্ছি, কেমন?
চিত্রাঙ্গদা ফিল্মের রিভিউ লিখেছিলাম আমাদের ওয়েবসাইটে। তার পর দিনই মেলবক্স খুলতেই প্রথম মেলটা ওঁর।

blog-img

(মাসে দুটো করে লিখব বলে দু'মাস কেটে গেল। মে মাসের এক তারিখে লিখব বলে হয়ে গেল ছাব্বিশ। কবিগুরুর জন্মদিন পেরিয়ে হাতে রইল পেনসিল। তবু, বেটার লেট দ্যান নেভার..)

blog-img

আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।

  • কুশল মিশ্র

  • ফুলকলি

  • সৌরভ গুহ

  • সুদীপ্ত সেনগুপ্ত

  • সোমশুভ্র মুখোপাধ্যায়

  • অমৃতাংশু ভট্টাচার্য

  • রাহুল পুরকায়স্থ

  • মৌপিয়া নন্দী

  • সাম্যব্রত জোয়ারদার