ওষুধ থেকেই তৈরী হচ্ছে মারণ নেশা

ঠাণ্ডা লাগলে অব্যর্থ ওষুধ। চোরাপথে ভারত থেকে সীমান্ত পেরিয়ে অনায়সে মায়ানমারে ঢুকছে সেই ওষুধ। কারবারিদের হাতে পড়ে সেই ওষুধ থেকেই তৈরি হচ্ছে মারণ ড্রাগস। ইন্দো-মায়ানমার সীমান্তে এই ওষুধের চোরা কারবার এখন ঘুম কেড়েছে ইয়াঙ্গনের।

Updated By: Aug 22, 2016, 02:12 PM IST
ওষুধ থেকেই তৈরী হচ্ছে মারণ নেশা
ছবিটি প্রতীকী

ওয়েব ডেস্ক: ঠাণ্ডা লাগলে অব্যর্থ ওষুধ। চোরাপথে ভারত থেকে সীমান্ত পেরিয়ে অনায়সে মায়ানমারে ঢুকছে সেই ওষুধ। কারবারিদের হাতে পড়ে সেই ওষুধ থেকেই তৈরি হচ্ছে মারণ ড্রাগস। ইন্দো-মায়ানমার সীমান্তে এই ওষুধের চোরা কারবার এখন ঘুম কেড়েছে ইয়াঙ্গনের।

ভারত থেকে প্রতি বছর চোরাপথে মায়ানমারে ঢুকে পড়ছে ঠাণ্ডা লাগার এই ওষুধ। ট্যাবলেটে থাকা রাসায়নিকের পোশাকি নাম সিউডোএফিড্রিন। খুব সহজে পাওয়া যায় এই ওষুধ, প্রেসক্রিপশন লাগে না। আর, খুব সহজে সিউডোএফিড্রিন থেকে তৈরি হয় মারাত্মক মাদক মেথামফেটামাইন, চলতি নাম- ইয়া-বা।

আরও পড়ুন- গাড়ির নম্বর প্লেট নিয়ে এই কথাগুলো জানেন?

কখনও চালের বস্তা, কখনও ট্রাকের চ্যাসিস, কখনও যাত্রীদের লাগেজ। হরেক পথে লুকিয়ে এই ট্যাবলেট ঢুকে পড়ছে মায়ানমারে। গত জুন মাসে পুলিস একটি গাড়িতে থেকে ষাট কেজি ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। খোলা বাজারে যার দাম সতেরো লক্ষ ডলার। সরাসরি মাদক পাচারের থেকে ওষুধের আদলে কাঁচামালের চোরাকারবারে ঝুঁকিও কম, লাভও বেশি। ভারতের বাজারে সিউডোএফিড্রিন বিক্রিতে কড়াক়ডি আছে। তবে সীমান্ত পেরিয়ে পাচার নিয়ন্ত্রণের কাজটা তত সহজ নয়।

আরও পড়ুন- মেয়েরা নিরাপদ থাকতে এই কয়েকটি টিপস মেনে চলুন

.