• print
  • Update: Update: September 30, 2011 16:18 IST
story-img সুখ নেইকো মনে

হলুদ বনে নিশ্চয়ই নাকছাবি হারিয়ে যাচ্ছে না, কিন্তু জানা গেল, তবু আমাদের ভারতীয়দের সুখ নেইকো মনে। গোটা পৃথিবী জুড়ে টুইটারজগত্‍ যাঁদের বিচরণভূমি, তাঁদের টুইটের ওপর
সমীক্ষা চালিয়ে দেখা যাচ্ছে, ভারতীয়রা অনেকটাই কম সুখী। অন্তত টুইটে সেই মনটাই ফুটে উঠেছে। একটু থমকে গেলাম খবরটা পড়ে। তেমন খুশি নই কেন আমরা?
আনন্দ কিসে হয়? এই যে এখন আকাশ-বাতাস জুড়ে পুজো পুজো ভাব, ভোরে শিউলির গন্ধে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের আনাগোনা, শপিং মলে হাতিবাগানে গড়িয়াহাটে ব্যাগভর্তি পুজোর
বাজার করা সুখী সুখী মুখ, তবু বলব আনন্দের কমতির অবকাশ আছে?
নেই কি? এই যে পুজো পুজো বলছি, বন্যার জল সবে সরেছে যে পরিবারের দাওয়া থেকে, তাঁর কাছেও কি একই সুখে দাঁড়িয়ে আছে শরত্‍ সকাল? মেয়ের গায়ে নতুন জামাটা তুলে
দিতে পারলেন না দারিদ্রপীড়িত যে অসহায় বাবা-মা, তাঁরা আনন্দে আছেন তো? এ বেলা আধপেটা খাবারটা পরিবারের পাঁচজনে ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্তে ও বেলার খাবারটা হবে কী
ভাবে, এই ভাবনায় যাঁদের কেটে যায় একটার পর একটা ঋতু, তাঁদের সুখী বলব কি? এক অন্ধকার থেকে আর এক অন্ধকারের যাত্রায় ঘুম ভাঙে যে ভোরের, সেই ভোরকে শিউলিগন্ধী
বলব?
যদি না বলতে পারি, তবে আমি সুখী হই কেমন করে? এই দেশের, এই বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ঘরে ঘরে আমারই স্বজন, যাঁদের কাছে পুজোর কোনও গন্ধ নেই, ইদের দিনে একটু ভাল
খাবার সন্তানের মুখে তুলে দিতে পারেন না যাঁরা, তাঁদের কান্নার চোখ দেখেছি আমি। তারপরেও আমি সুখী থাকব? আমাকে বলা হবে সুখী থাকো? অসহায় বোধ করি। হাতের উপর
হাত রাখতে চাই, সে কাজটাও সহজ নয়। তার পরেও আনন্দ-আহ্লাদ নিশ্চয়ই করি, যথেষ্টই করি, তবু বলি, খচখচ থেকে যায় কোথাও।
হে আমার স্বজন, তোমার দুঃখ ভাগ করে নিতে চাই। কিছুই পারি না। তবু জেনো, নিরানন্দ তোমার দিন-রাত আমাকে সুখী থাকতে দেয় না। তোমাকে ভুলতে পারলে আমি অসীম
আনন্দে গা ভাসাতে পারতাম। কিন্তু তোমাকে ভোলা সম্ভব নয়। তাহলে তো আমি ভুলে যাই নিজেকেই। আমি এক ভারতীয়, টুইটার জগতে গিয়ে সুখী মুখ দেখাবো কেমন করে?
পাখির শিসে সুখের সুর কি মানায় এই সময়ে?
তবু, এখানেই শেষ হতে দেব না আমরা এই সময়কে। আসুন ভাল থাকি, অন্তত থাকার চেষ্টা করি আমরা। সবাই মিলে বাঁচি একসঙ্গে। এই লক্ষ্যটাকে সামনে রেখেই, পুজো ভাল কাটান।

অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়

Post Your Comment

Total Comments:9

sir,i want to give you a information that the terrorist of pakistan hacked our kalyani university`s website. dated : 28/05/2012. hacked website - http://www.klyuniv.ac.in/shownewsdetails.php?cmd=editi&bidi=603 hacked website - http://www.klyuniv.ac.in/upload/1338325158_577856_123298607806016_100003776311276_106272_256839215_n.jpg

ami 24 ghanta ar prokasito com.joti basu opor documentry ar dvd ta kinte chai....kothay pabo,bolte paren...........plz......

suvo bijaya anjan da... lekhata darun hoyeche... evabei 24 ghonta egiye jabe... amra achi apnader sathe.

anjan babu,besh onekdin apnake apnar ray e dekhchi na?wishing you and my favorite channel 24 ghanta a very happy new year 2012...

great thinking anjanbabu!.

(cont.......1) ganotantric porikathamoi montrirupi rajader nijeder sartho sidhhir uddesse amader upor torcher korar legal right prodan korar din thekei jotodin na amra tader birodhita suru korte parbo,totodin apnar osohayota dur korte amra oparag. out of the track ekta personal opinion dichhi bole marjona korben.firstly aaj sasok doler birodhita korar dorun obhinandan janai,tobe hater lal rang take jato taratari fade kora sambhab tatoi 24 ghantar grohonjyogyata barbe bolei amar dharona,ebong tatei aamader sakoler mongol hobe,ami nischit.karon khomota nirankush khomota bhoger icchar jonmo dai ebong nironkush khomota ottacharer suchona ghotai. eai kaajta kore,bhoter der kache nijer grohonjyogyota bipul porimane bariye newa emon kichu kothin kaaj noi bolei amar driro biswas. (please donot think i want a job from your end). bhalo thakben.

anjanda,subho deepawali.lekhata kemon hoyeche bolar jogyota amar nei.tobe `sobai mile banchi eksange`-aapnar eai ukti tir sange ami ekdom-e ekmot noi.prothomoto,itihash nara-chara kore ami je tuku jenechi ta holo manush konodin-e bhalobese eakotrito hoini,proyojone sangoboddho hoyechilo(ekta singho ke eka marte sakhham hoini bolei).aajo manush eksange bipode porle tobei nijer sarthe eakotrito hoi. (cont..............2)

৩০.৯.১১ শ্রদ্ধেয় অঞ্জন বাবুর লেখা পড়েছিলাম(সুখ নেইকো মনে) আর ৮.১০.১১ শ্রদ্ধেয় সুদীপ্ত বাবুর লেখা পড়েছিলাম(প্রযুক্তির মহানায়ক),ইতিমধ্যে রাজ্য,দেশ বা বিদেশে কতইনা গুরুত্বপূ্র্ণ ঘটনা ঘটে চলেছে যেসবের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ জনমত গঠনের স্বার্থেই আপনাদের মত সুধী সাংবাদিকদের কাছে আশা করি।

suvo bijaya anjan da... lekhata darun hoyeche... evabei 24 ghonta egiye jabe... amra achi apnader sathe.

staff-blog
পার্ক স্ট্রিট ও একটি মেয়ে

তখনই প্রশ্ন জাগে, রেনেসাঁগর্বিত বাঙালি, আমরা আধুনিক হলাম না এখনও? মেরুকৃত আমরা, ইদানিংকালে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে (সঙ্গে সঙ্গে আট মাস বনাম চৌত্রিশ বছরের ব্যালান্সশিট খুলে বসে শতাংশের হিসেবে একে অপরের মুখোমুখি আমরা), অথবা সার্বিকভাবে নারী পুরুষ বিভাজনের ঊর্ধে উঠে সত্যকে বিচার করার মতো প্রতিস্পর্ধী অবস্থানে আসতে পারব না আমরা?

staff-blog
staff-blog
সুখ নেইকো মনে

হলুদ বনে নিশ্চয়ই নাকছাবি হারিয়ে যাচ্ছে না, কিন্তু জানা গেল, তবু আমাদের ভারতীয়দের সুখ নেইকো মনে। গোটা পৃথিবী জুড়ে টুইটারজগত্‍ যাঁদের বিচরণভূমি, তাঁদের টুইটের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা যাচ্ছে, ভারতীয়রা অনেকটাই কম সুখী। অন্তত টুইটে সেই মনটাই ফুটে উঠেছে। একটু থমকে গেলাম খবরটা পড়ে। তেমন খুশি নই কেন আমরা?

staff-blog
staff-blog
বিশ্বজোড়া বাঙালি।

কথাটার মধ্যে বাস্তবতা যেমন আছে, বিস্তৃতিও আছে তেমনটাই।

staff-blog
blog-img

আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।

blog-img

বর্তমান রাজ্য সরকার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে পুনঃ প্রতিষ্ঠিত করার প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই রকম বর্বর হামলা এখন হয় না, সাত আট শো বছর আগে হত। বিশ্বমানের শিক্ষাবিদরা গবেষণাগারে বর্শা এবং লোহার রডের আস্ফালন দেখতে অভ্যস্ত নন। বিশ্বমানের ছাত্রীরা ক্যাম্পাসের মধ্যে বাইরের গুন্ডাদের থেকে ধর্ষণের হুমকি শোনেন না এবং ছাত্ররা ক্লাসের মধ্যে গুন্ডাদের মারে রক্তাক্ত হন না। ১০ এপ্রিলের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে প্রেসিডেন্সির পুনরুজ্জীবন উদ্যোগে বাধা পড়তে বাধ্য।

blog-img

দোলনায় দুলতে রাজি আছি, কিন্তু দোল না! স্কিনে মেলানিন বেড়ে যাবে, কমপ্লেকশনের বারোটা বেজে যাবে, চুলের টেক্সচারের বারোটা বেজে যাবে। বিরিবিরি আবির ভরা মাথা ইঃ, দাঁতমুখে কালি ছিঃ, কনট্যাক্ট লেন্সে বালি.. এ কি ভদ্রমহিলাদের খেলা! বিশেষ করে আমার মতো সুন্দরীরা দোল খেলে না। যবে থেকে আয়নায় সেল্ফ-অ্যাডমিরেশন শুরু করেছি, তবে থেকেই দোলের দিন প্রচুর অমিতাভ বচ্চনের ছবি আর এফ এম শুনি, সেফ সাইডে থেকে। জিজ্ঞেস করলেই সোজা হিসেব দিই, সবাই যদি রং-বালতি-পিচকিরি নিয়ে নেমে যায়, তবে দেখবে কে?

blog-img

এই তো সেদিন, গ্রীষ্মের এক দীর্ঘ দুপুরে পাঁচ সন্তানকে স্থবির করে চলে গেলেন মা। তীব্র কান্নায় খানখান হাসপাতাল। দূরে বিমূঢ় জিজ্ঞাসা নিয়ে দাঁড়িয়ে পিতা। অর্ধশতাব্দীরও আগে তিনি এসেছিলেন। পুতুল খেলার পর্ব পেরিয়ে তখন সদ্য চু-কিতকিতে ওস্তাদি চলছে।