• print
  • Update: Update: September 28, 2011 19:41 IST
story-img আমাদের লক্ষ্যপৃথিবীর সব মানুষের কাছে পৌঁছনো।

এই লক্ষেই আজ থেকে শুরু পথচলা । বাংলার রাজনীতি, অর্থনীতি, সামাজিক অবস্থানকে বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্যই ওয়েব যাত্রা। বাংলা সাহিত্য অনেকদিন আগেই বিশ্বের দরবারে একটা স্থান অধিকার করেছে। পঁথের পাঁচালির হাত ধরে বাংলা সিনেমা সেই পঞ্চাশের দশক থেকেই সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে খুবই সমাদৃত।

বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে থাকা বাঙালির কাছে খুবই পরিচিত বাংলা গান। আজন্ম ইউরোপ বা আমেরিকাতে থাকা বাঙালিও খুব সহজেই শোনেন আধুনিক থেকে ভাটিয়ালি সুর । বাংলার চিত্রকলার ভাষা সম্বন্ধেও অবগত এই মানুষেরা । তথ্য প্রযুক্তিতে বিপ্লবের পর বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে থাকা বাঙালির কাছেই তাঁর নিজস্ব সংস্কৃতি সম্বন্ধে খোঁজ খবর রাখা এখন আর কোনও শক্ত কাজ নয়। মাউসের এক ক্লিকেই সে পৌঁছে যেতে পারেন তাঁর নিজস্ব পছন্দের কোনও ওয়েবসাইটে। আর এরপর খুব সহজেই দেখা যাবে সিনেমা বা ইচ্ছে হলে শোনা যাবে পছন্দের গান । কিন্তু এই রাজ্যের রাজনীতি, অর্থনীতি বা সামাজিক খবর সম্পূর্ণ ভাবে পাওয়া বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে থাকা বাঙালির পক্ষে খুব সহজ কাজ নয়। তাই দেশের বাইরে থাকা মানুষের প্রয়োজন ছিল একটা সম্পূর্ণ খবরের ওয়েব সাইটের। যেখান থেকে বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে থাকা মানুষ অতি সহজেই জানতে পারবেন তাঁর রাজ্যের বিভিন্ন খবর। দেশের বাইরে থাকা মানুষের সাথে সাথে আমরা দায়বদ্ধ এই প্রজন্মের কাছেও। দৈনন্দিনের ব্যস্ত জীবনে অনেক সময়ই প্রয়োজনীয় খবর রাখা সম্ভব হয়না বর্তমান প্রজন্মের। নিজের রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বিষয় সম্বন্ধে জানার এখনও পর্যন্ত যা মাধ্যম রয়েছেতা নির্দিষ্ট সময় কেন্দ্রীক। এই প্রজন্মের পক্ষে অনেক সময়ই পরিচিত মাধ্যমের মধ্য দিয়ে তা জানা সম্ভব হয়ে ওঠেনা।

তাই রাজ্যের বিভিন্ন খবরকে খুব সহজে পৌঁছনের লক্ষ্যেই আমাদের ওয়েব যাত্রা। আজ থেকে শুধুমাত্র মাউসের একটা ক্লিকেই জানা যাবে যেকোনও ব্রেকিং নিউজ। চব্বিশ ঘণ্টা এখন একটা ক্লিকে।

WWW -র জয় হোক।

Post Your Comment

Total Comments:1

it`s a good new`s for every bengali`s so,24 ghanta will develop day by day.

staff-blog
আমাদের লক্ষ্যপৃথিবীর সব মানুষের কাছে পৌঁছনো।

এই লক্ষেই আজ থেকে শুরু পথচলা । বাংলার রাজনীতি, অর্থনীতি, সামাজিক অবস্থানকে বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্যই ওয়েব যাত্রা। বাংলা সাহিত্য অনেকদিন আগেই বিশ্বের দরবারে একটা স্থান অধিকার করেছে। পঁথের পাঁচালির হাত ধরে বাংলা সিনেমা সেই পঞ্চাশের দশক থেকেই সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে খুবই সমাদৃত। বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে থাকা বাঙালির কাছে খুবই পরিচিত বাংলা গান। আজন্ম ইউরোপ বা আমেরিকাতে থাকা বাঙালিও খুব সহজেই শোনেন আধুনিক থেকে ভাটিয়ালি সুর । বাংলার চিত্রকলার ভাষা সম্বন্ধেও অবগত এই মানুষেরা । তথ্য প্রযুক্তিতে বিপ্লবের পর বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে থাকা বাঙালির কাছেই তাঁর নিজস্ব সংস্কৃতি সম্বন্ধে খোঁজ খবর রাখা এখন আর কোনও শক্ত কাজ নয়।

staff-blog
blog-img

আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।

blog-img

বর্তমান রাজ্য সরকার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে পুনঃ প্রতিষ্ঠিত করার প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই রকম বর্বর হামলা এখন হয় না, সাত আট শো বছর আগে হত। বিশ্বমানের শিক্ষাবিদরা গবেষণাগারে বর্শা এবং লোহার রডের আস্ফালন দেখতে অভ্যস্ত নন। বিশ্বমানের ছাত্রীরা ক্যাম্পাসের মধ্যে বাইরের গুন্ডাদের থেকে ধর্ষণের হুমকি শোনেন না এবং ছাত্ররা ক্লাসের মধ্যে গুন্ডাদের মারে রক্তাক্ত হন না। ১০ এপ্রিলের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে প্রেসিডেন্সির পুনরুজ্জীবন উদ্যোগে বাধা পড়তে বাধ্য।

blog-img

দোলনায় দুলতে রাজি আছি, কিন্তু দোল না! স্কিনে মেলানিন বেড়ে যাবে, কমপ্লেকশনের বারোটা বেজে যাবে, চুলের টেক্সচারের বারোটা বেজে যাবে। বিরিবিরি আবির ভরা মাথা ইঃ, দাঁতমুখে কালি ছিঃ, কনট্যাক্ট লেন্সে বালি.. এ কি ভদ্রমহিলাদের খেলা! বিশেষ করে আমার মতো সুন্দরীরা দোল খেলে না। যবে থেকে আয়নায় সেল্ফ-অ্যাডমিরেশন শুরু করেছি, তবে থেকেই দোলের দিন প্রচুর অমিতাভ বচ্চনের ছবি আর এফ এম শুনি, সেফ সাইডে থেকে। জিজ্ঞেস করলেই সোজা হিসেব দিই, সবাই যদি রং-বালতি-পিচকিরি নিয়ে নেমে যায়, তবে দেখবে কে?

blog-img

এই তো সেদিন, গ্রীষ্মের এক দীর্ঘ দুপুরে পাঁচ সন্তানকে স্থবির করে চলে গেলেন মা। তীব্র কান্নায় খানখান হাসপাতাল। দূরে বিমূঢ় জিজ্ঞাসা নিয়ে দাঁড়িয়ে পিতা। অর্ধশতাব্দীরও আগে তিনি এসেছিলেন। পুতুল খেলার পর্ব পেরিয়ে তখন সদ্য চু-কিতকিতে ওস্তাদি চলছে।