হলুদ যখন ঘোলাটে

স্বার্থের জন্য অনেক সময়েই কিছু কিছু সাংবাদিক কোনও কোনও খবরকে যতটা না ঘটেছে তার থেকে বেশি রোমাঞ্চকর ভাবে পরিবেশন করে থাকেন। এই ধরনের সাংবাদিকতাকে বলে ‘ইয়েলো জার্নালিজম’ বা ‘হলুদ সাংবাদিকতা’...

Updated: Mar 22, 2013, 06:58 PM IST

পার্থ প্রতিম চন্দ্র

হোলি হল রঙের উত্‍সব। তা রঙিন জামা, সিনেমার মত রঙিন জীবনও তো সবার পছন্দ। কিন্তু কারও কারও কাছে রঙ জিনিসটা বড্ড স্পর্শকাতরও বটে। কারও কারও কোনও কোনও রঙে বড় ভয় থাকে। তাই হোলির আগে বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণের ঢঙে শুনিয়ে রাখছি কিছু মানুষের রঙ বিভীষিকার কথা। হোলি খেলার সময় সব সময় খেয়াল রাখবেন এই সতর্কীকরণের কথা। হোলি হল রঙের উত্‍সব। তা রঙিন জামা, সিনেমার মত রঙিন জীবনও তো সবার পছন্দ। কিন্তু কারও কারও কাছে রঙ জিনিসটা বড্ড স্পর্শকাতরও বটে। কারও কারও কোনও কোনও রঙে বড় ভয় থাকে। তাই হোলির আগে বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণের ঢঙে শুনিয়ে রাখছি কিছু মানুষের রঙ বিভীষিকার কথা। হোলি খেলার সময় সব সময় খেয়াল রাখবেন এই সতর্কীকরণের কথা।
হলুদ: স্বার্থের জন্য অনেক সময়েই কিছু কিছু সাংবাদিক কোনও কোনও খবরকে যতটা না ঘটেছে তার থেকে বেশি রোমাঞ্চকর ভাবে পরিবেশন করে থাকেন। এই ধরনের সাংবাদিকতাকে বলে ‘ইয়েলো জার্নালিজম’ বা ‘হলুদ সাংবাদিকতা’। টাইম টু টাইম, মনের আনন্দে দশবার চ্যানেল কিংবা পেপারে নাম বা মুখ দেখিয়ে সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য কতিপয় সাংবাদিক খবরকে হলুদ রঙের মোড়কে পরিবেশন করেন। আর এই পাপের ফল ভোগ করতে হয় জুনিয়র ফিল্ড রিপোর্টারদের। কোনও খবর একটু চাঞ্চল্যকর হলেই এডিটরকে বোঝাতে হিমশিম খেয়ে বলতে হয়, না না কোন হলুদ রঙ মেশাইনি। আর তাই হলুদ রঙটা অনেকসময় বিভীষিকার হয়ে দাঁড়ায় সাংবাদিকদের জীবনে। তাই হলুদ রঙটা হোলির সময় সাংবাদিকদের কাছে এড়িয়ে চলাই ভাল...
হলুদের জনপ্রিয়তা-- হলুদ রঙের ওপর বিজ্ঞাপনর ক্যাচলাইন দিয়ে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে গেছিলেন এক তরুণ অ্যাডমেকার। সেই হলুদ রঙা বিজ্ঞাপনের পর তিনি এখন দেশের অন্যতম সেরা অ্যাড ক্যাচলাইনার। বিজ্ঞাপনের ক্যাচলাইনটা মনে পড়ছে? ইয়েলো ইয়েলো ডার্টি ফেলো...