মঠরি

Update: March 18, 2013 20:27 IST

রাজস্থানে হোলি উদযাপন মঠরি ছাড়াই ভাবই যায় না। বাড়ির দরজায় রঙ্গোলি, মেথির নিমকি মঠরি আর ঠান্ডাই। হোলিতে অতিথি সমাদরের এর থেকে ভাল ককটেল আর কিছু হতেই পারে না।

কী কী লাগবে

ময়দা-৫০০ গ্রাম
দেশি ঘি-১২৫ গ্রাম
জিরে-১ চা চামচ
নুন-১ চা চামচ
রিফাইন্ড তেল-ভাজার জন্য

কীভাবে বানাবেন

ময়দা, দেশি ঘি ও নুন ১০০ গ্রাম জলে ভাল করে মেখে নিন। মাখা ময়দা ঢাকা দিয়ে এক ঘণ্টা রেখে দিন। ময়দা থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে নিয়ে হাতের চাপে চ্যাপ্টা করে বেলে নিন। প্রতিটা বেলা থেকে ছাঁচের সাহায্যে ৫ থেকে ৬টা মঠরি কেটে নিন।

কড়াইতে তেল গরম করে ছাঁকে তেলে মঠরি ভেজে তুলুন। বাদামি হয়ে আসা পর্যন্ত ভাজবেন। ভাজা মঠরি টিস্যু পেপারের ওপর রেখে অতিরিক্ত তেল শুষে নিন। অতিথিদের চা বা কফির সঙ্গে গরম মঠরি খেতে দিতে পারেন। অথবা কৌটোয় ভরে রেখে দিতে পারেন। মঠরি এক মাস পর্যন্ত রাখা যায়।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।