ফিরছেন পরিচালক আমির

Update: November 24, 2012 19:35 IST

সাফল্যের শিখরে থাকলে আর পাঁচজন মানুষ কী করে? কেউ সাফল্যটা উপভোগ করে, কেউ আবার সেই সফলতাটা ধরে রাখার জন্য পরিশ্রম করে। আমির খান অবশ্য এসবের বাইরে একটা কাজ করছেন। সাফল্যের শিখরে থেকে নিজের `ড্রিম প্রজেক্ট`কে দিনের আলো দেখাতে চান। আসলে পরিচালক হিসাবে নিজের প্রথম সিনেমা `তারে জমিন পর`-এ সবাইকে তাক লাগ দেওয়ার পর আবার পরিচালনায় ফিরতে চলেছেন আমির খান। 'তালাস' মুক্তির দিন সাতেক আগে আমির নিজেই কিছুটা ঘুরিয়ে জানিয়েছেন পরিচালক হিসাবে তাঁর প্রত্যাবর্তনের কথা।
তবে কোন সিনেমা, গল্পের লেখকই বা কে, কিংবা কবে থেকে কাজ শুরু করবেন তা এখনও বলেননি। শুধু বলেছেন, "যদিও আমি ধুম থ্রি, সত্যমেব জয়তে, আর রাজকুমার হিরানির ছবি `পিকাও` নিয়ে ব্যস্ত। তবু এর মাঝে আমার `ড্রিম প্রজেক্ট` নিয়ে অনেকটা এগিয়েছে। আর হ্যাঁ, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না আমার `ড্রিম` ছবির পরিচালক আমি ছাড়া আর কেউ হতে পারে না।"এরপরই আমিরকে প্রশ্ন করা হয় সেই সিনেমার প্রযোজক, কাজ করে থেকে শুরু হবে এসব নিয়ে। হাসি মুখে বলিউডের গ্রেট খানের জবাব, `সেটা আপনারা তালাস করুন`!





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।