ঠাকুরমা-র মা কে দেখে এলেন আরাধ্যা

Update: February 17, 2013 12:20 IST

ঠাকুরমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন আরাধ্যা। বৃহস্পতিবার সপরিবারে ভোপালে শ্বশুরবাড়িতে যান অমিতাভ বচ্চন। নাতনি আরাধ্যাকে নিয়ে যেতে একটি চাটার্ড ফ্লাইট ভাড়া করছিলেন ঠাকুরদা। সেই বিশেষ বিমানেই বাবা, মা ও ঠাকুরদার সঙ্গে ভোপালে পৌঁছন আরাধ্যা।

সূত্রে খবর, প্রকাশ ঝা-র আগামী ছবি `সত্যগ্রহ`-র শুটিং-এর জন্য অভিষেক, ঐশ্বর্য ও আরাধ্যাকে নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোপালে পৌঁছন অমিতাভ। বিমানবন্দর থেকেই বচ্চনরা সরাসরি চলে যান আনসাল অ্যাপার্টমেন্টে জয়ার মা ইন্দিরা ভাদুরীর সঙ্গে দেখা করতে। ওইদিন সন্ধেবেলাই অভিষেক, ঐশ্বর্য ও আরাধ্যা মুম্বই ফিরে যান।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।