ঋতুপর্ণর ব্যোমকেশে অর্পিতা

Update: March 4, 2013 20:00 IST

সুজয় ঘোষ আর অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যে এরমধ্যেই ব্যোমকেশ আর অজিতকে খুঁজে পেয়েছেন পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ। এবার ঋতুর ব্যোমকেশ ক্যাম্পে এলেন অর্পিতা চ্যাটার্জি। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোরাবালি উপন্যাস নিয়ে ছবি করছেন ঋতুপর্ণ। সেখানেই ছোট একটি চরিত্রে দেখা যাবে অর্পিতাকে।

এই মাসেই ব্যোমকেশ কাহিনির শুটিংয়ে নামছেন অঞ্জন দত্ত, ঋতুপর্ণ দু`জনেই। শরদিন্দুর বেনী সংহার নিয়ে নতুন ব্যোমকেশ তৈরি করছেন অঞ্জন দত্ত। এর আগে শুভ মহরত ছবিতে ঋতুপর্ণর সঙ্গে কাজ করেছেন অনিন্দ্য। অর্পিতা কাজ করেছেন উত্‍সব ছবিতে। সুজয়, অনিন্দ্য ও অর্পিতার কথা জানা গেলেও ছবির বাকি চরিত্রদের নাম এখনই প্রকাশ করতে চান না ঋতুপর্ণ। সত্যন্বেষী সুজয় জানালেন, "আমি এখনও ডেট দিইনি। আপাতত আমার নিজের ছবির চিত্রনাট্য লেখার কাজে ব্যস্ত রয়েছি। পরের সপ্তাহে কলকাতায় এসে ঋতুদার সঙ্গে কথা বলার পরই ডেট দিতে পারব।"

অন্যদিকে, অজিতের চরিত্রর সঙ্গে নিজেকে মাননসই করতে জোরকদমে ওজন কমানোর কাজে লেগে পড়েছেন অনিন্দ্য। সূত্রে খবর, মিষ্টি একেবারেই ছেড়ে দিয়েছেন অনিন্দ্য। দাড়িও রাখছেন। বাংলায় তৈরি হলেও হিন্দিতে ডাব করা হবে ঋতুপর্ণর ব্যোমকেশ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।