বিশ্ব জয়ের রাস্তা ধরল বরফি

Update: September 22, 2012 22:40 IST

অনুরাগ বসুর সিনেমা `বরফি`তে ছিল দার্জিলিং, কলকাতা, আবেগ আর না বলা অনেক কথা। সেই সব জিনিসগুলোই বরফিকে নিয়ে গেল সিনেমার জগতের বিশ্বসেরা খেতাব অস্কার জয়ের পথে।

শনিবার এ বছরের অস্কার পুরস্কারের জন্য মনোনয়নের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হল। আর তাতে বিদেশী বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কারের জন্য মনোনিত হল `বরফি`। বলিউডের এই সিনেমা জুড়ে আছে বাংলা আর বাঙালি। ছবির বাঙালি পরিচালক অনুরাগ বসু। সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় তিন বাঙালি রূপা গাঙ্গুলি, যীশু সেনগুপ্ত, হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কী ভাষা, দেশ-রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে অনুরাগ বসুর এই ছবি চলে গেছে অন্তরমহলে। এর আগেও মাদার ইন্ডিয়া থেকে লগন, গাইড থেকে পিপলি লাইভের মত সিনেমা অস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছিল।  গত সপ্তাহে রিলিজ করার পর, এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ষাট কোটি টাকার ব্যবসা করেছে এই ছবি। অস্কারে মনোনয়ন পাওয়ার পর রণবীর কাপুর, প্রিয়ঙ্কা চোপড়া অভিনীত এই ছবিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা।

 অস্কারের মনোনয়ন পাওয়ার পর পরিচালক অনুরাগ বসু বললেন, তিনি দারুণ খুশি। সিনেমার স্ক্রিপ্ট পড়েই রণবীর কপূর নাকি বলেছিলেন, " আমি তো সিনেমায় কথা বলতে পারব না, কিন্তু আমার অভিনয় সবাইকে কথা বলবে।" সেটাই হল বাস্তবে। সিনেমায় বরফি কিছু বলতে পারল না ঠিকই কিন্তু স্ক্রিণের বাইরে সে বলে গেল অনেক কিছু।
 অনুরাগ বসুর এই ছবিতে গল্প, রণবীর কপূর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়ারা, অসাধারণ ক্যামেরা ওয়ার্ক, গান আম দর্শকদের মন জয় করেছে, এ বার জয় করার অপেক্ষায় অস্কারের বিচারকদের। আমির খান যা পারেন নি, কথা বলতে না পারা বরফিকে পারবে?






Post Your Comment

Total Comments:3

The barfi cinema was very beautiful picture. Ranbir kapur very most tellent hero.

I am Proud.

অনুরাগ বসুকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন, একটা অনুরোধ, ব্যোমকেশএর একটা গল্প নিয়ে আপনার একটা ছবি চাই. সম্ভব হলে সত্যজিত রায়ের গল্প ও চলবে.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।