বিয়ের পরেও ধর্ম অপরিবর্তিত রাখবেন করিনা

Update: June 28, 2012 16:28 IST

শর্মিলার বিয়ের লেহেঙ্গা চোলিতে সাজলেও তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করবেন না করিনা কাপুর।

নবাব মনসুর আলি খান পাতৌদিকে বিয়ে করার আগে ধর্মান্তরিত হয়ে শর্মিলা ঠাকুর হয়ে যান আয়েষা বেগম। এমন কী ছোটে নবাবের প্রথম পক্ষের স্ত্রী অমৃতা সিংও ধর্মান্তরিত হন। তবে কাপুর কন্যাকে বৈবাহিক যোগে ধর্মান্তকরণের পথে হাঁটাতে নারাজ সইফ। বরং বিয়ের আগে ভিন্ন ধর্মের বিয়ের ক্ষেত্রে ধর্মান্তকরণের বিপক্ষেই কথা বলছেন ছোটে নবাব। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "আমি একেবারেই চাই না ও (করিনা) ধর্ম পরিবর্তন করুক। ধর্ম নিয়ে এই এক সমস্যা... ধর্মান্তকরণ প্রত্যাশা করে। এতে আমি বিশ্বাস করি না। আমি যতদূর জানি সরকারও এ বিষয়ে `বিশেষ বিবাহ আইনের` বিধি রেখেছে। যদি এবং যখন আমরা বিয়ে করব তখন কারোরই ধর্ম পরিবর্তনের কোনও প্রয়োজন হবে না।"

এবছরেরই ১৬ অক্টোবর বিয়ে করতে চলেছেন ছোটে নবান সইফ আলি খান ও বলিউডের `শেহজাদি` করিনা কাপুর। গুঞ্জন, `হবু-সাস` শর্মিলা ঠাকুরের বিবাহ পরিধান পরেই বিয়ে করবেন করিনা। শুধু তাই নয়, শ্বাশুড়ির পোশাককে মাপ ও ডিজাইনে অপরিবর্তিত রাখছেন বেবো। অন্যদিকে, তাঁর `বেস্ট ফ্রেন্ড` ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার `ব্রাইডাল আউটফিট`ও কনের সাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে খবর।

এছাড়াও, রাজকোটের এক স্বর্ণকারের চল্লিশ লাখি হারেও সাজছেন কনে করিনা।

এই মুহূর্তে সইফিনা ব্যস্ত তাঁদের হাতের সব শ্যুটিং শেষ করতে। তবে `ওয়েডিং প্ল্যান`নিয়ে সম্পর্কে কোনও মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে না এদের কারোর থেকেই।





Post Your Comment

Total Comments:3

karinar abar naki dhormo ... Korinar next genration ki Hindu hobe na muslim. Tahole esob kotha bolar mane ki ? Amader boka banano. Saif and karina both are embracing Hinduism.

sir, You are requested to show various news related Gram Panchayat in West Bangal.

dormo k bisshas korna saif

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।