জাতীয় পুরস্কার বাংলার জামাইয়ের, ছেলেদেরও

Update: March 18, 2013 18:33 IST

ঘোষণা হয়ে গেল এ বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের। পর্দার সামনে থেকে পর্দার পিছনে, সব ক্ষেত্রেই জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চ জমিয়ে রাখলেন বাঙালিরা। শুধু বাংলার ছেলেরাই নন, সেরা অভিনেতার পুরস্কারও পেলেন বাংলার জামাই ইরফান খান।

জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে চিটাগং ছবির জন্য ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার পেয়েছেন বেদব্রত পাইন। এছাড়াও সেরা গান, সেরা গীতিকার ও সেরা গায়কের পুরস্তারও জিতে নিয়েছে চিটাগং। ভিকি ডোনরের জন্য সেরা বিনোদনমূলক ছবির পুরস্কার উঠল সুজিত সরকারের হাতে। সেরা সহ অভিনেতা-অভিনেত্রী সহ মোট তিনটি পুরস্কার পেয়েছে ভিকি ডোনর। কাহানি ছবির জন্য সেরা অরিজিনাল স্ক্রিন প্লে-র পুরস্কার জিতলেন সুজয় ঘোষ। সেরা এডিটিংও কাহানির প্রাপ্তি। চিত্রাঙ্গদা ছবির জন্য বিশেষ সম্মান পেয়েছেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। বাংলা ছবি শব্দর জন্য সেরা সাউন্ড ডিজাইনের পুরস্কার এসেছে অনির্বান সেনগুপ্ত ও দীপঙ্কর চাকীর ঝুলিতে। সেরা বাংলা ছবির পুরস্কারও জিতেছে কৌশিক গাঙ্গুলি পরিচালিত শব্দ।

সবশেষে পান সিং তোমার ছবির জন্য এ বছরের সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতলেন ইরফান খান। আর এতেই বাংলার প্রাপ্তির ঝুলি আরও ভারী হল। কেউ হয়তো জানেন না এই বাংলাতেই শ্বশুরবাড়ি ইরফানের। তাই জামাইয়ের গর্বে আরও এরবার উজ্জ্বল হল বাংলার মুখ।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।