বাংলা ছবি এবারে চাঁদের পাহাড়ে

Update: November 22, 2012 15:39 IST

সদ্য `মেঘে ঢাকা তারা` দিয়ে তাঁর ঋত্বিক ঘটকের প্রতি ট্রিবিউট শেষ করেছেন পরিচালক কমলেশ্বর মুখার্জি। এবারে তিনি সেলুলয়েডে আনতে চলেছেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের `চাঁদের পাহাড়`। তাঁর হাত ধরেই মাসাইমারায় পাড়ি দিচ্ছে বাংলা ছবি।


ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের ব্যানারে আগামী বছরই শুটিং শুরু করবেন কমলেশ। গল্পের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে মানুশ খেকো সিংহ, অদ্ভুত দানব ও সত্যিকারের আগ্নেওগিরিকে ছবিতে তুলে আনতেই পুরো শুটিংটাই আফ্রিকায় করবেন পরিচালক। ইউনিটের ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, কমলেশ শঙ্কর চরিত্রের জন্য ভেবেছেন দেব অথবা পরমব্রতকে। আপাতত স্ক্রিপ্ট নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি। কিছুদিনের মধ্যেই কাস্টিংও চূড়ান্ত করে ফেলবেন।

অন্যদিকে এটা ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের তৃতীয় অ্যাডভেঞ্চার প্রজেক্ট। সন্দীপ রায়ের `যেখানে ভূতের ভয়` ও সৃজিত মুখার্জির কাকাবাবু সিরিজের পর `মিশর রহস্যে`র পর এবার `চাঁদের পাহাড়`। তবে `চাঁদের পাহাড়` নিয়ে বিশেষ উচ্ছ্বসিত ভেঙ্কটেশ ফিল্মসও। `চাঁদের পাহাড়ে`ই প্রথম উন্নত মানের কম্পিউটার গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হবে যা এর আগে বাংলা ছবিতে হয়নি। ভিস্যুয়াল এফেক্টসে বলিউড এমনকী হলিউড ছবির সঙ্গে `চাঁদের পাহাড়` পাল্লা দেবে বলে দাবি ভেঙ্কটেশের।



Post Your Comment

Total Comments:2

বহু ছোটবেলা থেকে বহু বড়বেলা অবদি বহুবার পড়েছি। একইরকম রোমাঞ্চের অপেক্ষায় রইলাম।

Amr ai story ta khub valo lageche.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।