ভূতেদের থ্রি ডি ভবিষ্যত

Update: March 18, 2013 20:53 IST

হিন্দিতে রিমেক হতে চলেছে বাংলা-ব্লকবাস্টার ভূতের ভবিষ্যত। তাও আবার থ্রিডিতে।

বলিউডের প্রযোজক রতন জৈন এই ছবির প্রযোজনা করবেন। হিন্দি ভার্সনে ছবিটির নাম হবে `গ্যাঙ অফ গোস্ট`। পরিচালনা করবেন সতীশ কৌশিক। জৈন জানিয়েছেন, "আমরা ছবিটিকে থ্রিডিতে বানানোর কথা ভাবছি। এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।"

জৈন আরও জানান ছবিটির শুটিং হবে মুম্বইতেই। বলিউডে গুঞ্জন, এই ছবিতে অভিনয় করতে পারেন মাহি গিল। তবে এই বিষয় এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। প্রযোজক জানিয়েছেন, "এখনও কাউকেই এই ছবির জন্য সই করানো হয়নি। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বিস্তারিত জানাতে পারব। আগামী এপ্রিল থেকেই মুম্বইতে শুটিং শুরু হবে।"

২০১২-র এই বাংলা ছবিটি মুক্তি পাওয়া মাত্রই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সারকাস্টিক ছবিটিকে `পাথ ব্রেকিং` বলেও চিহ্নিত করেছেন একাধিক পরিচালক।

Post Your Comment

Total Comments:2

যেটা হবে সেটা কি বাংলার অনুকরণ, নাকি অনুবাদ, নাকি ভাবানুবাদ, কোনটাই কিন্তু বাংলার মেজাজকে ধরতে পারবেনা, এই মেজাজ টার অনুবাদ হয়না।

যেটা হবে সেটা কি বাংলার অনুকরণ, নাকি অনুবাদ, নাকি ভাবানুবাদ, কোনটাই কিন্তু বাংলার মেজাজকে ধরতে পারবেনা, এই মেজাজ টার অনুবাদ হয়না।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।