সলমনকেই ফিটনেস গুরু মানলেন বিপাশা

Update: January 6, 2013 20:55 IST

তাঁকে দেখার আগে বাঙালি মেয়ের এমন চাবুকের মতো পেটানো শরীর দুনিয়ে দেখেছিল কিনা সন্দেহ। বিশ্বের তাবড় তাবড় সুন্দরীরাও জানতে চেয়েছেন তাঁর গোপন ফিটনেস মন্ত্র। এহেন বিপাশ বসুই এবার প্রকাশ করলেন নিজের ফিটনেস আইকনের নাম। সলমন খান।

নিজের দ্বিতীয় ফিটনেস ডিভিডি ব্রেক ফ্রি-র লঞ্চে বলিউডের প্রিয় ফিটনেস হাঙ্কদের প্রশংসা শোনা গেল বিপাশার গলায়। তবে সেই তালিকায় কোথাও স্থান পাননি জন। বিপাশার চোখে অক্ষয় কুমার, হৃতিক রোশন আর সলমন খানও বলিউডের ফিটেস্ট হিরো।


"হৃতিক খুব হ্যান্ডসাম, দারুণ শরীর ওর। অক্ষয় আমার প্রথম নায়ক। ও শুধু শারীরিক ভাবেই ফিট নয়, মানসিক ভাবেও দারুণ ফিট। আর সলমনই তো প্রথম ফিটনেস ব্যাপারটাকে বলিউডে নিয়ে এল। সলমন সবসময়ের জন্য আমার ফিটনেস আইকন," ডিভিডি লঞ্চের অনুষ্ঠানে বলেন বিপাশা।

নাচের মাধ্যমে ওয়ার্কআউট করে ফিটনেস বজায় রাখা নিয়েই বিপাশার নতুন ডিভিডি ব্রেক ফ্রি।





Post Your Comment

Total Comments:2

ARABUL ISLAM TOMAI JANAI CHI...CHI...CHHI. (PAPPU RAHAMAN).

I would like to know the contact telephone nos of zeehelpline@24ghanta.com for certain quarries . Please also let me know the right emailid of the same helpline. I lokk forward to getting an early response to this mail.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।