সলমনের সঙ্গে ডেট বিপাশার

Update: July 23, 2012 23:13 IST

জন আব্রাহামের বিচ্ছেদের পর বেশ কিছুদিন সিঙ্গল থাকার ইচ্ছাই প্রকাশ করেছিলেন বঙ্গ তনয়া বিপাশা বসু। এরপরই শোনা যায় তিনি নাকি সলমন খানের সঙ্গে সিনেমা করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন।

ছবির সবকিছুই প্রায় ঠিকঠাক। এমনকী ২২শে জুলাই বিপাশা আর সলমনকে একসঙ্গে একটি রেস্তোরাঁতেও দেখা যায়। বান্দ্রাতে ওই রেস্তোরাঁয় তাঁদের ছবি তুলে সলমন, সোহেল আর বিপাশ টুইটারে সর্বসমক্ষে নিয়ে আসেন নিজেরাই। জানা গেছে, বিপাশাকে সলমনের ভাই সোহেল খানের পরবর্তি ছবি `শের খান`-এ একটি নাচের দৃশ্যে দেখা যেতে পারে।

সলমনের সান্নিধ্যে থেকে ক্যাটরিনা কাইফের উন্নতির বহর দেখেই বোধহয় বিপাশাও তাঁকে লাকি মাসকট মনে করছেন। তবে এই `ডেট` কি আসলে শুধুমাত্র কাজের জন্যই, নাকি অন্য কোনও তাজা গল্পের স্বাদ পেতে চলেছে তা অবশ্য সময়ই বলবে।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।