জাতীয় পতাকা অবমাননার দায়ে ফাঁসলেন শাহরুখ

Update: August 22, 2012 17:06 IST

বছরের শুরু থেকেই একের পর এক বিতর্কে ফেঁসে চলেছেন কিং খান। আইপিএল চলাকালীন ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তাঁর আচরণ নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ডের স্মৃতি ফিকে হতে না হতেই জাতীয় পতাকা অবমাননার মতো গুরুতর বিতর্কে জড়িয়ে ফের কাঠগড়ায় শাহরুখ!

সম্প্রতি রবি ব্রহ্ম নামে এক ব্যক্তি চতুশরঙ্গী থানায় শাহরুখের নামে এইআইআর দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, ইউটিউবে একটি ভিডিওতে নাকি শাহরুখকে জাতীয় পতাকা উল্টো করে ধরতে দেখা গেছে। তদন্তের পর এমনটাই দাবি করেছে মুম্বই পুলিসও। একটি দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাত্কারে মুম্বই পুলিসের ডেপুটি কমিশনার সাহাজি উমাপ বলেন," শাহরুখ জাতীয় সম্মান অবমাননা ও প্রতিরক্ষা আইন, ১৯৭১-এ অভিযুক্ত হয়েছেন। গত ১৪ অগাস্ট অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছিল। পরে তদন্তের জন্য মুম্বই পুলিসের জোন নাইনে ট্রান্সফার করা হয়। তদন্তে সাহায্যাকারী কিছু ছবি ও ভিডিও থানায় জমা দিয়েছেন অভিযোগকারী"। ২০১১ সালের এপ্রিল মাসে একটি বেসরকারি নিউজ চ্যালেন ভিডিওটি আপলোড করেছিল।

তবে শুধু শাহরুখ নন। গহেনা বশিষ্ঠ নামে জনৈক মডেলের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছেন রবি ব্রহ্ম। গহেনার বিরুদ্ধে তেরঙা বিকিনি পরে ফটোশুটের অভিযোগ এনেছেন রবি। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে গহেনাকে গ্রেফতার করে মুম্বই পুলিস। গত রবিবারই জামিন পেয়েছেন গহেনা।

Post Your Comment

Total Comments:2

omaa se ki kothaaa

its tooooooooo much shameless in indian.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।