সাতটি দৃশ্যের শব্দ বাদ, মিটল বিশ্বরূপম বিতর্ক

Update: February 2, 2013 21:17 IST

অবশেষে কাটল বিশ্বরূপম জট। বিতর্কিত অংশ বাদ দিয়ে তামিলনাড়ুতে মুক্তি পাচ্ছে ছবি বিশ্বরূপম। শনিবার চেন্নাইয়ে সরকারি আধিকারিক ও মুসলিম সংগঠনের শীর্ষনেতাদের  সঙ্গে বৈঠকে বসেন  ছবির পরিচালক-অভিনেতা কমল  হাসান। শেষপপর্যন্ত ছবির বিতর্কিত কিছু অংশ বাদ দিতে সম্মত হন তিনি। তবে কমল হাসানের নিজের বক্তব্য, ছবির দৃশ্য নয়, শুধুমাত্র কয়েকটি সাউন্ড ক্লিপ বাদ দিতে রাজি হয়েছেন তিনি। 

বিশ্বরূপমের মুক্তি নিয়ে আপাতত জট কাটল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ছবির মোট সাতটি দৃশ্যের শব্দ বাদ দিতে রাজি হয়েছেন পরিচালক কমল হাসান। শনিবার চেন্নাইয়ে সরকারি আধিকারিক ও মুসলিম সংগঠনের শীর্ষনেতাদের  সঙ্গে বৈঠকে বসেন  ছবির পরিচালক। পাঁচঘন্টার বৈঠকে ছবির বিতর্কিত অংশ নিয়ে আলোচনা হয়। শেষপপর্যন্ত ছবির বিতর্কিত কিছু অংশ বাদ দিতে সম্মত হন কমল হাসান। বৈঠক শেষে মুসলিম সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে পরিচালক একটি চুক্তিও সই করেছেন বলে খবর। যদিও, কমল হাসানের দাবি ছবির দৃশ্য নয়, শুধুমাত্র কয়েকটি সাউন্ড ক্লিপ বাদ দিতে রাজি হয়েছেন তিনি। 

ছবি-মুক্তির জট কাটাতে শুক্রবারও মুসলিম সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন কমল হাসানের ভাই ও ছবির প্রযোজক চন্দ্র হাসান। কিন্ত, কমল হাসানের উপস্থিতির দাবি জানিয়ে সেই বৈঠক বাতিল করেন মুসলিম সংগঠনের নেতারা। তারপরই ওই নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন কমল হাসান নিজে। সেই বৈঠকের পরই, জট কাটে।
 








Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।