কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য, নিষ্ক্রিয় পুলিস

কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য, নিষ্ক্রিয় পুলিস

কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য, নিষ্ক্রিয় পুলিসএক কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে আসানসোলে। পুলিসের দাবি, আসানসোলের রানীগঞ্জের বাসিন্দা ওই কিশোরী আত্মহত্যা করেছেন। যদিও সেকথা মানতে নারাজ কিশোরীর পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, রীতিমতো পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে ওই কিশোরীকে। পুলিসের বিরুদ্ধে অমানবিক আচরণের অভিযোগও তুলেছে কিশোরীর পরিবার।

গত বছরের ২৬ নভেম্বর মৃত্যু হয় একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী শ্রেয়া সিং-এর। শ্রেয়ার বাবা মনোজ কুমার সিং, ইসিএলের সিনিয়র সেফটি ম্যানেজার। মা সুমন সিং, ওই অঞ্চলের কমার্শিয়াল ট্যাক্স বিভাগের জয়েন্ট কমিশনার। ঘটনার দিন বাড়িতে একাই ছিলেন শ্রেয়া। মনোজবাবু ছিলেন চেন্নাইতে। সুমনদেবী অফিসের কাজে কলকাতায় আসছিলেন। ভাই শিবম তখন স্কুলে। দুপুর বারোটা নাগাদ রানীগঞ্জ থানা থেকে সুমনদেবীকে ফোনে জানানো হয়, শ্রেয়া আত্মহত্যা করেছে।

আর এখানেই একের পর এক প্রশ্ন তুলছে শ্রেয়ার পরিবার। পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতিতে কেন বাড়ি থেকে সরানো হল শ্রেয়ার দেহ? কেন তাড়াহুড়ো করে করা হল ময়নাতদন্ত? ছিটকিনি ভেঙে মৃতদেহ উদ্ধারের কথা বলা হলেও কীভাবে অক্ষত থাকল ছিটকিনি? সিলিং ফ্যানে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলে কীভাবে অবিকৃত থাকল ফ্যান?

প্রাথমিক শোক কাটিয়ে ঊনত্রিশে নভেম্বর থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করতে যান শ্রেয়ার বাবা-মা। অভিযোগ, পুলিস কোনও সাহায্য তো করেইনি, উল্টে মিলেছে অমানবিক ব্যবহার।

সন্দেহ দানা বাঁধছে অন্য জায়গায়ও। ইসিএলের বহু দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করেছেন মনোজবাবু। শ্রেয়ার পরিবারের অভিযোগ, সেই আক্রোশ থেকেও খুন করা হতে পারে তাঁদের মেয়েকে।

কী বলছে পুলিস? ইসিএল কর্তৃপক্ষের বক্তব্যই বা কী?  মেয়ের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার, প্রশাসনের কাছে গিয়েছিলেন সুবিচারের আশায়। কিন্তু প্রশাসনিক উদাসীনতায় তারা হতাশ। আদৌ কী মেয়ের হত্যা রহস্যের কিনারা হবে, ধরা পড়বে মেয়ের খুনি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন অসহায় মা, বাবা।

 
 
 
 
 
 
    






First Published: Wednesday, January 16, 2013, 11:43


comments powered by Disqus