এ কী লাবণ্যে

Update: January 20, 2013 23:03 IST

ওহ হেনরির পর এবার আগামী ছবি এ কী লাবণ্যে নিয়ে আসছেন পরিচালক অনিমেষ রায়। ওহ হেনরির মতোই এই ছবিতেও মূখ্য ভূমিকায় থাকছেন লকেট চ্যটার্জি ও দিব্যেন্দু মুখার্জি। অভিনয়ের পাশাপাশি ছবির মিউজিকও দেবেন দিব্যেন্দু।

ছবির চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজক সুদীপ চ্যাটার্জি জানালেন, "বারো বছর ধরে বিবাহিত জীবনে এক দম্পতির কাহিনী নিয়েই তৈরি এ কী লাবণ্যে। তারকা নৃত্যশিল্পী লাবণ্য(লকেট চ্যাটার্জি) স্বামীর কেলভিন গোমজের(দেবশঙ্কর হালদার) সঙ্গে এক ছাদের তলায় থাকলেও আলাদা আলাদা জীবন কাটান দু`জনে। এক সময়ের বিখ্যাত বেহালা বাদক কেলভিন নিজে হাতে ধরেই নষ্ট করেছেন কেরিয়ার। আপাতত বেকার মাদকাসক্ত কেলভিন স্ত্রীর ওপরই নির্ভরশীল। গল্পো নতুন মোড় নেয় যখন লাবণ্যর বন্ধু রুশা(তনুশ্রী) লাবণ্যকে মিউজিক কনসার্টে নিয়ে যায়। সেখানেই ১৫ বছর পর প্রথম প্রেম অমিতকে ফিরে পায় লাবণ্য। বিখ্যাত মিউজিশিয়ান অমিত চায় কেলভিনকে ডিভোর্স দিয়ে তার কাছে ফিরে আসুক লাবণ্য। এখান থেকেই শুরু হয় ছবির দ্বন্দ্ব"।

ফেব্রুয়ারিতেই শুটিং শুরু করতে চান অনিমেষ। খুশি কাস্টিং নিয়েও। বললেন, "কেলভিন চরিত্রের জন্য দেবশঙ্কর একদম পারফেক্ট। লকেট খুব ভাল নাচে। আর দিব্যেন্দুতো নিজেই একজন মিউজিশিয়ান। তবে লাবণ্যর অন্তর্দ্বন্দ্বই হবে এই ছবির মূল ফোকাস"।


Post Your Comment

Total Comments:2

AI DHARONER CHOBI CHABBIS GHANTAI BEMANAN.

`E ki labonyo`er porichalok niye echeche ?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।