অ্যান্ড দ্য টাইগার রোরস

Update: August 21, 2012 21:49 IST

বক্স অফিসের সব রেকর্ড ছাপিয়ে গেল `এক থা টাইগার`। মুক্তি পাওয়ার মাত্র ৫ দিনের মধ্যেই ১০০ কোটির ব্যবসা করার নতুন রেকর্ড গড়ল সলমনের নতুন ছবি। এখনও পর্যন্ত এটাই সবথেকে দ্রুত ১০০ কোটি ছোঁয়ার রেকর্ড বলিউডে। মুক্তির দিনেই অগ্নিপথকে ছাপিয়ে ৩২ কোটির ব্যবসা করেছিল `এক থা টাইগার`। আর পঞ্চম দিনেই ব্যবসার অঙ্ক পৌঁছে গেল ১০০ কোটিতে‌!

`এক থা টাইগার`-এর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ফিল্ম ক্রিটিক তরণ আদর্শ টুইট করেছেন, "#এক থা টাইগার-ভারত * অ্যাকচুয়ালস* রবিবার ২৩.০৬ কোটি। মোট: ১০০.১৬ কোটি। সুপার্ব‍‌! দ্রুততম ১০০ কোটির ব্যবসা করার রেকর্ড করেছে `এক থা টাইগার`-মাত্র ৫ দিনে!"

টুইট করেছেন সলমনের বোনে অর্পিতা খানও। " ৫ দিনে ১০০.১৬ কোটি...অ্যান্ড দ্য টাইগার রোরস! টাইগার টাইগার টাইগার"।

২০১০ সালে ব্রেক আপের পর এই প্রথম কোনও ছবিতে একসঙ্গে কাজ করলেন সলমন-ক্যাটরিনা। সলমনের শেষ তিনটি ছবি `দাবাং`, `রেডি` ও `বডিগার্ড` ব্লকবাস্টার। কাজেই `এক থা টাইগার` নিয়ে প্রত্যাশার পারদ ঠিল তুঙ্গে। তরণ আদর্শের টুইট অনুযায়ী, `এক থা টাইগার` সলমনের চতুর্থ সেঞ্চুরি(১০০ কোটি)। এর আগে `দাবাং` (১৪৭ কোটি), `রেডি` (১২২ কোটি), `বডিগার্ড` (১৪৮ কোটি)-র ব্যবসা করেছিল। ঘটনাক্রমে এই প্রথম যশ রাজ ফিল্মসের কোন ছবি ১০০ কোটির ব্যবসা করল। এমনকী `এক থা টাইগার` `থ্রি ইডিয়ডস`-এর ২০০ কোটির রেকর্ডও ছাপিয়ে যাবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

Post Your Comment

Total Comments:1

waooooooo it`s really good news.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।