`এক থা টাইগার`-এর ডাবল সেঞ্চুরি

Update: August 27, 2012 18:28 IST

দুশো কোটি ছুঁয়ে ফেলল `এক থা টাইগার`। স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি পাওয়ার ৫ দিনের মধ্যে ১০০ কোটির ব্যবসা করে বক্স অফিসে নতুন রেকর্ড গড়েছিল `এক থা টাইগার`। আর এবার ১২ দিনের মধ্যেই ২০০ কোটি পেরিয়ে গেল সলমনের নতুন ছবি।

ট্রেড অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শের টুইট অনুযায়ী ১২ দিনে শুধুমাত্র ভারতেই ১৭৫ কোটির ব্যবসা করেছে `এক থা টাইগার`। দেশ, বিদেশ মিলিয়ে মোট ২১০ কোটি। `এক থা টাইগার`কে অল টাইম ব্লকবাস্টার বলে টুইটারে উল্লেখ করেছেন তরণ আদর্শ। তরণ লিখেছেন, "ভারতে ব্যবসার অঙ্ক অনুযায়ী প্রথম স্থানে রয়েছে `থ্রি ইডিয়টস` (২০২ কোটি), দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে `এক থা টাইগার` (১৭৫ কোটি), তৃতীয় স্থানে রয়েছে `বডিগার্ড` (১৪৮ কোটি)"।

এখনও পর্যন্ত `থ্রি ইডিয়ডস` এক নম্বরে থাকলেও ঘাড়ের ওপর নিশ্বাস ফেলছে এক থা টাইগার। সলমন কি পারবেন আমিরকে টেক্কা দিতে?







Post Your Comment

Total Comments:3

Eak Tha Joker. A film without any story.No doubt INDIAN people will like this. bakwas

I like this performed of news in this channel.

it will break the record of 3idiots..salman is a real tiger.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।