মাতৃগর্ভেই হারিয়ে গেল ফারদিনের সন্তানেরা

Update: December 10, 2012 17:59 IST

কয়েকমাস আগে টুইটারে সবার সঙ্গে জীবনের সবথেকে আনন্দের খবর ভাগ করে নিয়েছিলেন ফারদিন খান। বাবা হতে চলেছেন তিনি। মুম্বইয়ের ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে গর্ভবতী স্ত্রীকে সুরক্ষিত রাখতে তাঁকে নিয়ে লন্ডন উড়ে গিয়েছিলেন ফরদিন। কিন্তু সব সাবধানতা অবলম্বন করেও শেষরক্ষা হল না। গর্ভপাত হয়ে গেল ফারদিনের স্ত্রী নাতাশার।

নাতাশার গর্ভে যমজ সন্তান ছিল। গর্ভপাতের ফলে দুটি ভ্রূণই নষ্ট হয়ে গেছে। তবে আশার খবর নাতাশা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। স্ত্রীর অপ্রত্যাশিত গর্ভপাতের খবর টুইটারে জানিয়ে ফারদিন লিখেছেন, "আমি নাতাশার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর যতোটা আনন্দের সঙ্গে জানিয়েছিলাম, আজ ততোটাই দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি নাতাশার গর্ভন্থ ভ্রূণদুটি নষ্ট হয়ে গেছে। কথায় আছে, যা আমাদের মেরে ফেলতে পারে না, তা আমাদের চরিত্রকে আরও দৃঢ় করে। এটাই জীবন। তবে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ নাতাশা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে। আবার গর্ভধারণের জন্যও পুরোপুরি সক্ষম। আমার স্ত্রী সত্যিই একজন যোদ্ধা"।

২০০৫ সালে অভিনেত্রী মুমতাজের একমাত্র মেয়ে নাতাশা মাধওয়ানিকে বিয়ে করেন ফারদিন। সাত বছর অপেক্ষার প্রথম সন্তান আসতে চলেছিল তাঁদের জীবনে। আশা রাখব খুব তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন খান দম্পতি।










Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।