নানহি পরী কি বড়ি গাড়ি

Update: November 16, 2012 14:14 IST

দিওয়ালির সন্ধেবেলা পুরো বচ্চন পরিবারকে দেখা গিয়েছিল ঝাঁ চকচকে লাল-কালো বিএমডব্লিউ মিনি কুপারে। বচ্চন পরিবারের কাছে এ আর এমন কী ঘটনা। চমকের রহস্যটা সামনে এল এইবার। প্রথম জন্মদিনে মা-বাবার কাছ থেকে এই গাড়িটিই উপহার পেয়েছেন আরাধ্যা। জন্মের আগে থেকেই যিনি সেলিব্রিটি তার প্রথম জন্মদিন বোধহয় এর থেকে কমে হয় না। ভারতে বিএমডব্লিউয়ে সম্ভবত কনিষ্ঠতম মালকিনের নাম আরাধ্যা বচ্চন।

শুক্রবার ১ বছর পূর্ণ করলেন ভারতের মোস্ট সেলিব্রিটি চাইল্ড। "কোথা দিয়ে সময় চলে যায় বোঝাই যায় না। আজ আরাধ্যা এক বছরের হল। প্রথম জন্মদিন আমরা একদম পারিবারিক পরিসরেই পালন করতে চাই। আমাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠরা ও আমার মা বাবা আসবেন আরাধ্যার জন্মদিনের পার্টিতে"। গত বুধবার শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন ঐশ্বর্য।
আরাধ্যার জন্মদিন দিয়ে উচ্ছ্বসিত অভিষেকও। বললেন, "জন্মের পর থেকেই মায়ের সঙ্গেই বাচ্চারা সবথেকে বেশি সময় কাটায়। তাই সন্তানের প্রথম জন্মদিন মায়েদের কাছে খুব স্পেশ্যাল"।

জন্মদিনের ৩ দিন আগে আরাধ্যার প্রথম দিওয়ালির স্পেশ্যাল সেলিব্রেশনেও কোন কসরত ছাড়েননি বচ্চনরা। জন্মদিন ব্যক্তিগত পরিসরে কাটালেও জলসার দিওয়ালি পার্টিতে এসেছিলেন শাহরুখ খান, অক্ষয় কুমার, টুইঙ্কল খন্না, দীপিকা পাডুকোন, বিপাশা বসু, সোনালি বেন্দ্রে, রবিনা টন্ডন, ঋষি কপুর, করণ জোহর, ফারহান আখতার, প্রকাশ ঝা, কুণাল কপুর, নীল নীতিন মুকেশ, তুষার কপুর, অমৃতা সিং...প্রায় আধা বলিউড।

আমরাও জানালাম হ্যাপি বার্থডে আরাধ্যা।

Post Your Comment

Total Comments:2

Hi Aradhya happy birthday.

Many many happy returnes of the day.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।