জন্মদিনে গোয়ায়

Update: January 7, 2013 14:56 IST

সালটা ১৯৯৫। কলকাতার র‌্যাম্পে প্রথমবার দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বেশিরভাগ বাঙালিই নাক সিঁটকিয়েছিল দেখে। মেয়েটা বড্ড রোগা, বড্ড কালো এইসব হাজারো রকম কথা কানে এসেছিল তখন। পরের বছর সেই মেয়েই সকলকে অবাক করে জিতে নিয়েছিলেন ফোর্ড সুপারমডেল। নিউ ইয়র্কে মডেলিং কেরিয়ার শুরু করে একেবারে বলিউড। সেই বাঙালি মেয়েই যে বলিউডে গোটা এক দশক এভাবে রাজত্ব করবে কস্মিনকালেও কেউ ভেবেছিল কি না সন্দেহ। আজ বিপাশার ৩৪ বছরের জন্মদিন। মাঝের বছরগুলো এতটাই স্বপ্নের মতো কেটেছিল তাঁর, যে এখন মনে হয় পুরো ব্যাপারটাই কাল্পনিক।

গত দু`বছর সেভাবে ভাল কাটেনি বিপাশার। জনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কে ইতি, জোড়ি ব্রেকার, রাজ থ্রি সেভাবে সাফল্য না পাওয়ায় বিপাশাও যেন ঠিক নিজের মধ্যে ছিলেন না। তবে নতুন বছরের শুরুটা তিনি ভালভাবেই করতে চান। বছরের শুরুতেই তাই বি টাউনের কোলাহল থেকে বেরিয়ে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে জন্মদিন কাটাতে গোয়ায় রয়েছেন বিপাশা। আর সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো উপছে পড়ছে ভক্তদের শুভেচ্ছা বার্তায়।

শুভেচ্ছা রইল আমাদের তরফেও। বছরটা ভাল কাটুক আপনার।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।