বলিউডের বাজিগর আজ `বার্থ ডে বয়`

Last Updated: Friday, November 2, 2012 - 09:49

কোথাও একটা চিন্তা আসছে কি! বয়সটা যে আরও এক বেড়ে ৪৭ হয়ে গেল। প্রশ্নটা শুনে বার্থ ডে বয় শুধু হাসলেন। হাসিটার মানে কী! ধুত্‍ ওত শত কে দেখে, আজ যে বলিউডের বাদশার জন্মদিন। এমন একটা দিনে ওসব প্রশ্নে কে কেয়ার করে। আজ বরং শুধু সেলিব্রেশনে ডুবে যাওয়া যাক। কেক কাটার আগে এমনই একটা ঘটনা ঘটল শাহরুখ খানের সঙ্গে। বলিউডের `বাদশা` সাফল্যের `পরদেশ` ছাড়িয়ে হাজারো ভক্তের `দিল সে` থেকে `কুছ কুছ হোতা হ্যায়`-এর ঢেউ তুলে ভারতকে `চাক দে ইন্ডিয়া`র সুর শিখিয়েছেন।
সেই শাহরুখ এবারের জন্মদিনটা কাটালেন একেবারে নিজের মত করে। তবে যশ চোপড়ার মৃত্যুর জন্য জন্মদিন উদযাপনটা জমকালো হল না। টুইটারে তাঁর ভক্তদের ধন্যবাদ দিলেন। কিং খানকে শুভেচ্ছা জানাতে বৃহস্পতিবার রাতে  বারোটা বাজার সঙ্গে সঙ্গে মুম্বইতে শাহরুখের বাংলো মান্নাতের সামনে ভিড় জমান তাঁর অসংখ্য ভক্তেরা৷ মান্নাত থেকে ফ্যানেদের উদ্দেশে হাতও নাড়েন শাহরুখ৷ তাঁকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে মান্নাতে যান ফারাহ খান৷ তাঁকে আইপিএলে এনে দেওয়ার নায়কদেরও এসএমএস করে শুভেচ্ছা জানালেন। ক`দিন পরেই মুক্তি পাচ্ছে তাঁর সিনেমা `জব তক হ্যায় জান`।
গত কয়েক বছর বলিউডে জায়গাটা কিছুটা নড়বড়ে হয়েছে শাহরুখের। নড়বড়ে মানে তাঁর ব্র্যান্ডভ্যালু কমে গেছে এমন কথা নয়, কিন্তু শাহরুখ যে এখন আর বলিউডের এক নম্বর নায়ক নেই সেটা পরিষ্কার। আমীর খান তো বটেই একটা সময় তাঁর থেকে সাফল্যের বিচারে বেশ কিছুটা পিছনে থাকা সলমন খানও আজ তাঁকে টপকে গেছেন। `ওয়ান্টেড`, `বডিগার্ডের`, পর `এক থা টাইগার`-- এর মহাসাফল্যের পর শাহরখের বলিউড বাদশার অদৃশ্য মুকুট এখন তারই `শত্রু নম্বর ওয়ান` সলমনের মাথায়। তাই বলিউড বাদশার তাজ ফিরে পাওয়ার এখন একটাই উপায় শাহরুখের। যশ চোপড়ার শেষ সিনেমা `জব তক হ্যায় জান` আগের সব রেকর্ডকে ভেঙে ফেলে সাফল্যের নতুন সংজ্ঞা লিখলে সেটাই হবে শাহরুখের কাছে সেরা উপহার। গতবার শাহরুখ `রা ওয়ান`কে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন। `রা ওয়ান` প্রত্যাশাপূরণ করতে পারেনি। এবার শাহরুখের স্বপ্নের নৌকার পাল `জব তক হ্যায় জান`। আসলে সাফল্যের এভারেস্টে থাকার এই এক জ্বালা। জব তক হ্যায় জান
তোমায় শীর্ষেই থাকতে হবে না হলে সবাই আঙুল তুলে বলবে `ইউ আর ফি
এক নজরে বাদশার জীবন--
১৯৬৫ সালের ২রা নভেম্বর দিল্লিতে জন্মগ্রহন
১৯৮৮ সালে ফৌজী টেলিভিশন সিরিয়ালে কমান্ডো অভিমন্যু রাই চরিত্রের মাধ্যমে অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ
১৯৮৯ সালে সার্কাস সিরিয়ালে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকায় অভিনয় করেন, যেটি ছিল একজন সাধারণ সার্কাস অভিনেতার জীবন নিয়ে রচিত।
বাবা-মার মৃত্যুর পর নতুন জীবন শুরু করার লক্ষ্যে শাহরুখ নয়াদিল্লি ছেড়ে মুম্বই পাড়ি জমান
১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'দিওয়ানা' ছবি দিয়ে আত্মপ্রকাশ
১৯৯৩ সালে বাজিগর ও ডর ছবিতে ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ
বাজিগর ছবির জন্য কেরিয়ারের প্রথম ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার লাভ
১৯৯৫ ছিল তার জন্য খুব সাফল্যের বছর। দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে বক্স অফিস রেকর্ড ভাঙে। ছবিটি ৫২০ সপ্তাহের বেশি প্রদর্শিত হয়। ভারতের সবচেয়ে হিট ছবি হিসাবে ধরা হয়। দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গের সঙ্গে তুলনা করা হয় শোলের সঙ্গে যা ২৬০ সপ্তাহ চলেছিল।
উল্লেখ্যযোগ্য ছবি পরদেশ, দিল তো পাগল হ্যায় (১৯৯৭), কুছ কুছ হোতা হ্যায় (১৯৯৮), মোহাব্বতে (২০০০), কভি খুশি কভি গাম... (২০০১), কল হো না হো (২০০৩) এবং বীর-জারা(২০০৪)। এছাড়া অন্যান্য পরিচালক যেমন, আজিজ মির্জার ইয়েস বস (১৯৯৭), মনসুর খানের জোশ (২০০০) এবং সঞ্জয় লীলা বনশালির দেবদাস (২০০২) ব্যবসায়িক দিক থেকে দারুণ সফল হয়।
হিন্দি চলচ্চিত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০০৫ সালে ভারত সরকার শাহরুখ খানকে পদ্মশ্রী সম্মান ভূষিত করে
রেড চিলিস এন্টারটেনমেন্ট এর অন্যতম অংশীদার।
রেড চিলিস এন্টারটেনমেন্ট থেকে নির্মিত পরের ছবি ওম শান্তি ওম ২০০৭ সালের সবচেয়ে সফল ছবি।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ এর দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের অন্যতম মালিক।

১৯৮৮ সালে ফৌজী টেলিভিশন সিরিয়ালে কমান্ডো অভিমন্যু রাই চরিত্রের মাধ্যমে অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ
১৯৮৯ সালে সার্কাস সিরিয়ালে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকায় অভিনয় করেন, যেটি ছিল একজন সাধারণ সার্কাস অভিনেতার জীবন নিয়ে রচিত।
বাবা-মার মৃত্যুর পর নতুন জীবন শুরু করার লক্ষ্যে শাহরুখ নয়াদিল্লি ছেড়ে মুম্বই পাড়ি জমান
১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত `দিওয়ানা` ছবি দিয়ে আত্মপ্রকাশ
১৯৯৩ সালে বাজিগর ও ডর ছবিতে ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ
বাজিগর ছবির জন্য কেরিয়ারের প্রথম ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার লাভ
১৯৯৫ ছিল তার জন্য খুব সাফল্যের বছর। দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে বক্স অফিস রেকর্ড ভাঙে। ছবিটি ৫২০ সপ্তাহের বেশি প্রদর্শিত হয়। ভারতের সবচেয়ে হিট ছবি হিসাবে ধরা হয়। দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গের সঙ্গে তুলনা করা হয় শোলের সঙ্গে যা ২৬০ সপ্তাহ চলেছিল।
উল্লেখ্যযোগ্য ছবি পরদেশ, দিল তো পাগল হ্যায় (১৯৯৭), কুছ কুছ হোতা হ্যায় (১৯৯৮), মোহাব্বতে (২০০০), কভি খুশি কভি গাম... (২০০১), কল হো না হো (২০০৩) এবং বীর-জারা(২০০৪)। এছাড়া অন্যান্য পরিচালক যেমন, আজিজ মির্জার ইয়েস বস (১৯৯৭), মনসুর খানের জোশ (২০০০) এবং সঞ্জয় লীলা বনশালির দেবদাস (২০০২) ব্যবসায়িক দিক থেকে দারুণ সফল হয়।

হিন্দি চলচ্চিত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০০৫ সালে ভারত সরকার শাহরুখ খানকে পদ্মশ্রী সম্মান ভূষিত করে
রেড চিলিস এন্টারটেনমেন্ট এর অন্যতম অংশীদার।
রেড চিলিস এন্টারটেনমেন্ট থেকে নির্মিত পরের ছবি ওম শান্তি ওম ২০০৭ সালের সবচেয়ে সফল ছবি।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ এর দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের অন্যতম মালিক।
এরপর তিনি অসংখ্য বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং খ্যাতি অর্জন করেন। শাহরুখ খান ১৩ বার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে সাতটিই সেরা অভিনেতার পুরস্কার। যা এক অনন্য নজির। তবে শাহরুখের মাহাত্ম্য বোঝাতে হলে এসব পুরস্কারের সংখ্যা দিয়ে নয় বরং সিনেমা হলের বাইরে তাঁকে নিয়ে উন্মাদনাতেই ধরা পড়ে। ধরা পড়ে সেই অচেনা কিশোরী থেকে বয়স্কা মহিলা সবার চোখে.. যেখানে শাহরুখকে দেখলেই মন বলে ওঠে কুছ কুছ হোতা হ্যায়...



First Published: Friday, November 2, 2012 - 17:19


comments powered by Disqus