গরমে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

গরমে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

গরমে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাদক্ষিণবঙ্গজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র দাবদাহ। তীব্র গরম সহ্য করতে না পেরে দক্ষিণবঙ্গে একনও পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আসানসোলে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। দুর্গাপুরে মারা গিয়েছেন ৫ জন। কলকাতায় মারা গিয়েছেন ৪ জন ও মালদহে দুজন। এছাড়াও আরামবাগের বলরামপুরে একজনের এবং মঙ্গলকোটে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে একজন ভোটকর্মী এবং একজন পুলিসকর্মী রয়েছেন।  কলকাতার তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে তাপমাত্রা বাড়লেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছে আবহওয়া দফতর।

উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে ঢুকতে শুরু করেছে আর্দ্রতাহীন গরম হাওয়া বা ল্যু। তার জেরেই বাড়ছে তাপমাত্রা। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর। সোমবার দুপুরে পুরুলিয়ার তাপমাত্রা ছিল ৪৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বীরভূমের তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি।

প্রচণ্ড গরমে বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্তে দেখা দিয়েছে তীব্র জলসঙ্কট। তার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিংয়ের দাপট। এদিকে, গতকাল রাতভর ভারী বৃষ্টির জেরে জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছে সাধারণ মানুষ। রাতে আলিপুরদুয়ারেও ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও।

অন্যদিকে কিছুটা হলেও স্বস্তির খবর শুনিয়েছে দিল্লির মৌসম ভবন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেরালা উপকূলে বর্ষা আসতে চলেছে দিল্লির মৌসম ভবনের তরফে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আবহবিদরা জানিয়েছেন, কেরালার দক্ষিণ উপকূলে বর্ষা পৌঁছনোর উপযুক্ত আবহাওয়া তৈরি হয়েছে। কেরালায় বর্ষা আসার নির্ধারিত দিন পয়লা জুন। কেরালার হাত ধরেই ভারতে প্রথম বর্ষা আসে। কিন্তু আরব সাগরের ওপর ঘূর্ণাবর্তের কারণে এবার কেরালাতেও বর্ষা আসতে দেরি হয়। আবহবিদদের অনুমান, ৬ থেকে ৭ জুনের মধ্যে কেরালার দক্ষিণ উপকূলে বর্ষা এসে পড়বে। গরম আর তীব্র দাবদাহে জ্বলছে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিও।






First Published: Tuesday, June 05, 2012, 08:03


comments powered by Disqus