আমিরের জন্য আমি গর্বিত: সলমন

Update: June 19, 2012 22:08 IST

`সত্যমেব জয়তে`-র শুরু থেকেই বিতর্কের জালে জড়ালেও এবার আমিরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন তাঁর অভিন্ন হৃদয় বন্ধু সলমন। রূপোলি পর্দায় মাত্র একবারই একসঙ্গে কাজ করলেও রিয়্যাল লাইফে বিভিন্ন ব্যাপারে অমর আর প্রেমের মতোই একে অপরের পাশে থেকেছেন দুজনে। আর সেই সম্পর্কের রেশ ধরেই সলমন এবার জানালেন, আমিরের জন্য তিনি গর্বিত।

বর্তমানে নিজের মালিকানাধীন নয়া ব্র্যান্ড `বিইং হিউম্যান`-এর লঞ্চ উপলক্ষে দুবাইতে রয়েছেন সলমন। সেখানে বসেই হিন্দিতে টুইট করেছেন, ওয়াহ আমিরখান, "তুমি তো কামাল করে দিয়েছ।" যাঁরা হিন্দি জানেন না তাঁদেরকে তাঁর টুইট অনুবাদ করে নিতেও অনুরোধ করেছেন সল্লু। টুইটারে আমিরকে তিলু বলে সম্বোধন করেছেন সলমন। মিডিয়ার সামনেও সলমন বলেছেন, "আমি আমিরের জন্য গর্বিত। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমির জীবনের শ্রেষ্ঠ কাজ করছে।"

সঠিক সময়ে আমিরের পাশে দাঁড়িয়ে সলমন প্রমাণ করলেন বলি দুনিয়ায় প্রতিদিন ব্রেক আপ-প্যাচ আপের মধ্যেও `আন্দাজ আপনা আপনা`র অমরপ্রেম আজও অটুট।




Post Your Comment

Total Comments:3

I THANKS TO 24 GHANTA.

KABE BADSHA R SUBUDHI HOBE.

Kon pagal bolte hai ki amir ji ne galat kie hai? I proud of amir ji hindusthani hai.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।