খুব তাড়াতাড়ি সেরে উঠব আমি: মনীষা

Update: December 7, 2012 17:38 IST

পড়ন্ত কেরিয়ার, বিবাহ বিচ্ছেদ কোনও কিছুই কোনওদিন দমিয়ে রাখতে পারেনি তাঁকে। ক্যান্সার তো কোন ছাড়। বলিউডের সদা হাস্যময়ী অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা এবার সুস্থ হয়ে ওঠার আশ্বাস দিলেন ভক্তদের।

বৃহস্পতিবার একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ভক্তদের উদ্দেশ্যে মনীষা লিখেছেন, "প্রিয় বন্ধুরা, তোমাদের শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ। আমি ভাল জায়গায় ভাল মানুষদের মধ্যে রয়েছি। তোমাদের শুভেচ্ছা ও ভালবাসা আমার সঙ্গে রয়েছে। আমি নিশ্চিত খুব তাড়াতাড়ি সেরে উঠব। খবরটা খুবই কষ্টের ছিল কিন্তু জীবনে তো সবকিছুই সারপ্রাইজ। বাস্তবকে মেনে নিয়েই আমাদের বিশ্বাস ও দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হয়। ফল যাই হোক না কেন সেটা ভালর জন্যই হয়। আমার জন্য তোমরা কেউ চিন্তা করো না। এতোদিন পর্যন্ত আমার জীবন খুব সুন্দর ভাবে কাটিয়েছি আমি। তোমাদের প্রার্থনার জন্য আমি অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভালবাসা...এম কৈরালা"।

বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন মনীষা। মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে ডিম্বাশয়ে ক্যান্সার ধরা পড়ার পরই দ্রুত অস্ত্রপচারের জন্য আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে মনীষাকে। আপাতত সেখানেই চিকিত্সাধীন তিনি। তবে তাঁর অস্ত্রপচারের দিন পিছিয়ে গিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার অস্ত্রপচার হওয়ার কথা ছিল মনীষার। আগামী ১০ ডিসেম্বর অস্ত্রপচারের নতুন দিন ধার্য করা হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।