শঙ্কা রেখেও দিওয়ালিতে বক্স অফিসে শাহরুখের বোমা

Update: November 13, 2012 22:03 IST

দিওয়ালি, এসআরকে আর যশ চোপড়া। এই তিনের রসায়ন যে কী হতে পারে তা ইতিপূর্বে বলিউড বহুবার দেখেছে। ব্যতিক্রম হল না এবারও। প্রত্যাশামতোই দারুণ ভাবে যাত্রা শুরু করল জব তক হ্যায় জান। বক্স অফিস রিপোর্ট বলছে জব তক হ্যায় জান বোমা ফাটিয়ে শুরু করল। প্রথম দিনেই বেশীরভাগ মাল্টিপ্লেক্সেই হাউসফুল। তবে ছোট হলে বা সিঙ্গল স্ক্রীনে কিছুটা হতাশ করল। তবে সেখানেও ৭০ শতাংশ আসন ভর্তি রইল। কিছু কিছু জায়গায় হাউসফুলও ছিল প্রথম দিন।

প্রথম দিনে জব থেকে জানকে উতরে দিয়েছে মাইসোর, কলকাতা, নয়ডা। অবদান রয়েছে এরাজ্যেরও। তৃতীয় স্থানে রয়েছে। তাতেও চিন্তা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। মাল্টিপ্লেক্সে সফল হলেও সিঙ্গল স্ক্রিনে কিন্তু বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি যব তক হ্যায় জান। এমনিতেই ঘাড়ের ওপর নিশ্বাস ফেলছে সন অফ সর্দার। তারওপর সিঙ্গল স্ক্রিন লোক টানতে ব্যর্থ। তবে কি সত্যিই এবার শাহরুখের মাস অ্যাপিলে ভাঁটা পড়ল?

এর আগে শুধুমাত্র দিওয়ালির কাঁধে ভর করেই বক্সঅফিসে উতরে গিয়েছিল মহব্বতেঁর মতো প্রেম সর্বস্ব বা রা-ওয়ানের মতো অন্ত:সার শূন্য ছবিও। এবারেও সেই আশাতেই বুক বাঁধা যায়। হাজার হোক। ইতিহাস অন্তত বলছে দিওয়ালি শাহরুখকে নিরাশ করেনি কখনও।







Post Your Comment

Total Comments:2

r kto chlbe aki rkm vat

r kto chlbe aki rkm vat

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।