বিপাশাকে `না` জনের

Update: December 28, 2012 20:23 IST

বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল মুম্বই ম্যারাথনে একসঙ্গে দৌড়তে চলেছেন জন-বিপাশা। বিগত কয়েকে বছর ধরেই মুম্বই ম্যারাথনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন জন। এবছর বিপাশাও থাকবেন। কাজেই সকলেই আশা করেছিলেন পোডিয়ামে হয়ত একসঙ্গে দেখা যাবে দু`জনকে। তবে সেই সব সম্ভাবনায় জল ঢেলে দিয়েছেন জন। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন পেশার খাতিরে বিপাশার সঙ্গে জুটি বেঁধে কোনও কাজ করতেই বিন্দমাত্র ইচ্ছুক নন তিনি।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জন বলেন, "আমি কখনই বিপাশার সঙ্গে আবার জুটি বাঁধার কথা ভাবছি না। এরকম কোনও চিন্তা আমার মাথাতেই নেই"। যদিও ব্রেক আপের পরই বিপাশা জানিয়ে দিয়েছিলেন পেশার খাতিরে জনের সঙ্গে কাজ করতে তাঁর আপত্তি নেই, জন এখনও সবদিক থেকেই দূরত্ব বজায় রেখেই চলতে চান তাঁর সঙ্গে।

দীর্ঘ ৯ বছরের সম্পর্কের ছাড়াছাড়ির পর থেকেই মুখ দেখাদেখি বন্ধ জন-বিপাশার। এমনকী, পার্টিতেও একে অপরকে এড়িয়ে চলেন তাঁরা।


Post Your Comment

Total Comments:2

Aajker dinta amader jannye charom lajjar din.nijeke proti ghenna hochhe j ami aman society te belong kori.

Aajker dinta amader jannye charom lajjar din.nijeke proti ghenna hochhe j ami aman society te belong kori.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।