সল্লু-ক্যাটকে নিয়ে মুখ খুললেন কবীর খান

Update: July 29, 2012 17:55 IST

সলমন খানকে নাকি তাঁর চিরাচরিত স্বভাব থেকে আনেকটাই সরে আসতে দেখা গেছে `এক থা টাইগার` সিনেমার সেটে। শোনা যাচ্ছে সলমন নাকি তাঁর জামা কাপড় থেকে শুরু করে অনেক খুঁটিনাটি ব্যাপারেই নির্ভরশীল ছিলেন তাঁর `প্রাক্তন প্রেমিকার` ওপর! আর এই খবর মিডিয়াকে জানিয়েছেন এক থা টাইগার-এর পরিচালক, সলমন ঘনিষ্ঠ স্বয়ং কবীর খান। আর সলমন-ক্যাটরিনার সম্পর্কের কথা জানতে চাওয়া হলে কবীর স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তাঁদের কেমিস্ট্রি নাকি অসাধারণ। তাঁরা যে প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই নিজেরা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন তাও জানিয়ে দেন পরিচালক।

একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কবীর খান জানিয়েছেন, ছবির সেটে সলমনকে নিয়ে বেশ খানিকটা সমস্যায় পরেছিলেন তিনি। অনেক বিষয়েই দুজনের একমত হতে বেশ কিছুটা সময় লেগেছে। এমনকী, `স্টার` সলমনের সেটে দেরি করে আসা নিয়েও মুখ বন্ধ রাখেননি কবীর। তাঁর বক্তব্য, সলমনের নিজের সময় মতো সেটে আসা নিয়ে আনেক দিনই শুটিং শুরু করতে দেরি হয়েছে। তবে এই সব কিছুর উর্ধ্বে গিয়ে পরিচালক এটাও জানিয়েছেন যে একবার সেটে এসে গেলে সলমনের মতো অভিনেতা আর হয় না।

সেটে আসের পরের মুহুর্ত থেকেই সলমন হয়ে উঠতেন পরিচালকের সবথেক বাধ্য ছাত্র। কবীর মনে করিয়ে দেন যে সব পরিচালকেরই সলমনকে নিয়ে বুদ্ধি খাটিয়ে দিয়ে কাজ করা উচিত্‍। সে যাই হোক, কবীরের বক্তব্য থেকে একটা বিষয় অন্তত স্পষ্ট। ধীরে ধীরে ফের জমে উঠছে সলমন-ক্যাটরিনার কেমিস্ট্রি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।