আসছে হিরোইন

Update: July 23, 2012 22:44 IST

বচ্চন বহু ঐশ্বর্যকে সরিয়ে করিনার হিরোইন হয়ে ওঠার সময় থেকেই খবরের শিরোনামে মধুর ভান্ডারকরের আগামী ছবি। আর দীর্ঘ একবছর অপেক্ষার পর ছবির পোস্টার রিলিজ হতেই হিট `হিরোইন`। ছবির মধ্যে ফুটে উঠেছে হিরোইনের রূপ। সোনালি পোশাকে ফিল্ম ম্যাগাজিনে পরিবেষ্টিত বেবো। সঙ্গে ওয়াইন এর খালি গ্লাস।

এক বিখ্যাত অভিনেত্রীর পর্দার পিছনের জীবন নিয়েই তৈরি হয়েছে `হিরোইন`। গ্ল্যামার দুনিয়ার চমক যে একজন ব্যক্তিকে কোথায় নিয়ে ফেলতে তাই নিয়ে গল্পের প্রেক্ষাপট। ছবিতে কারিনা কাপুর এক দিকে `চামেলি`। অন্য দিকে `ছাম্মাক ছাল্লো`। তাঁর দুই বিখ্যাত রূপে দেখা গেছে বেবো। অনেকগুলি `লুক`-এর মধ্যে `হালকাত জওয়ানি` গানের দৃশ্যে তাঁর সঙ্গো `ডার্টি পিকচার`-এর বিদ্যা বালানের মিলও খুঁজছেন কেউ কেউ। মধুরেরই ছবি `ফ্যাশন` এর সঙ্গেও `হিরোইন`-এর কথাও মিল খুঁজছেন অনেকে। যেখানে ফ্যাশন জগতের কিছু অজানা দিক ফুটিয়ে তুলিয়েছিলেন তিনি। মডেলদের উত্থান পতন নিয়ে ও তাদের সেই জীবনের টানাপড়েন জুড়ে ছিল ছবির অনেকটাই।

`হিরোইন` মুক্তি পাচ্ছে সেপ্টেম্বরের ২১ তারিখ। হিরোইন কি সত্যিই `ডার্টি পিকচার` আর `ফ্যাশন`-এর ককটেল, নাকি সম্পূর্ণ মৌলিক একটি ছবি, সেটা জানার জন্য দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।