কিমের উপহার ফেরালেন কেট

Update: November 19, 2012 18:47 IST

অনেক আশা নিয়ে রাজবধূকে ভেট পাঠিয়েছিলেন কিম। যদি তাঁর বিন্দুমাত্র দাক্ষিণ্যও পাওয়া যায় তাহলেই ব্রিটেনে চড়া দামে বিকোবে তাঁর পোষাক। কিন্তু সব আশায় জল ঢেলে দিয়ে কিমকে পোষাক ফেরত পাঠালেন ডাচেস অফ কেমব্রিজ কেট।

কিম কার্দাশিয়ানের বোন ডরোথি পার্কিনসের রেঞ্জ থেকে বেছে বেছে সেরা ড্রেসগুলোই কেটকে পাঠিয়েছিলেন কিম। কিন্তু দেখেই নাক সিঁটকিয়িছেন কেট। বাকিংহাম প্যালেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কেট কোনওদিনই কিমের পাঠানো কমদামি লেপার্ড প্রিন্টের মিনিস্কার্ট বা গোল্ড কাজের জ্যাকেট গায়ে তুলতেন না। তবে তার থেকেও বড় কথা, রাজপরিবারের নিয়ম অনুযায়ী অপরিচিত উপহার দাতাদের কাছ থেকে কখনই বাকিংহাম প্যালেস কিছু গ্রহণ করে না। বেশিরভাগ উপহারই ফিরিয়ে দেন তাঁরা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।