কিং খান ও কলকাতা

Update: November 12, 2012 21:34 IST

পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন বদলে দিয়েছে তাঁরও জীবন। আগে যে শহরে এসে সবার মতোই ভাঙা ভাঙা উচ্চারণে শুধু "আমি তোমাকে ভালবাসি" বলতেন, তা আজ তাঁর জীবনের অঙ্গ। এখন আর তিনি শুধুমাত্র কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিক নন। এরাজ্যের মুখও বটে। পশ্চিমবঙ্গের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর তিনি। জীবনের এইসময়কেই এখন আত্মজীবনীতে লিপিবদ্ধ করছেন শাহরুখ।

কলকাতাকে বরাবরই নিজের দ্বিতীয় বাড়ি বলে এসেছেন কিং খান। এশহরও তাঁকে আদর করে কাছে টেনে নিয়েছে। বিগত এক বছরে রাজ্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়েছেন, রা-ওয়ানের প্রোমোশনে এসে মহাকরণে দাঁড়িয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন, পরপর দুবার কলকাতা চলচ্চিত্র উত্সবের উদ্বোধন করেছেন, আইপিএল জেতার পর কেকেআরের সম্বর্ধনায় ইডেনে মুখ্যমন্ত্রীর কপালে এঁকেছেন স্নেহচুম্বন-সবমিলিয়ে এই একবছরে তাঁর জীবনের বড়সড় অংশ জুড়ে রয়েছে কলকাতা। কলকাতায় `জব তক হ্যায় জান` ছবির প্রোমোশনে এসে শাহরুখ বললেন, আমি এখনও আত্মজীবনী লিখছি। তবে কলকাতা চ্যাপটারের কথা এখনও লেখা হয়নি আমার। কলকাতার সঙ্গে আমার দারুণ সব স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। আমি আত্মজীবনী থেকে কিচ্ছু বাদ দিতে চাই না।

১৯৮৮ সালে টিভি সিরিয়ালে অভিনয় থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিকানা। নিজের জীবনের ২০ বছরের বেশি সময়ের কথা তিনি লিখছেন আত্মজীবনীতে। নাম `টোয়েন্টি ইয়ার্স ইন আ ডিকেড`।

Post Your Comment

Total Comments:1

Sharuk akjon mohan manus. Ami shruk k khub valobase and like kore.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।