Kiss কা কিসসা নিয়ে সরগরম বলিউড

Update: February 23, 2013 22:26 IST

কোনও কোনও দিন থাকে যেদিনে অনেকগুলো খবরকে একসুতোয় বাধা যায়। আজ বলিউডের খবরের জগতে এমনই একটা দিন। এক সুতোয় বেঁধে খবরের মালার শিরোনাম দেওয়াই যায় কিসসা কিসসা।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া থেকে সোনাক্ষি সিনহা, আলি জাফর থেকে চিত্রাঙ্গদা সিং, সোনম কাপুর। সবাই আজ যা বললেন তার মূল কথায় কোথাও না কোথাও চুম্বন বা `কিস`-এর বিষয় রয়েছে।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া যেমন কলকাতায় `গুন্ডে` ছবির শ্যুটিং-এ এসে এক কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছেন। প্রিয়াঙ্কা একটা মাছকে চুম্বন করেছেন। তবে ফটোগ্রাফাররা সেই ছবিটা পুরোটা ফ্রেমবন্দি করতে পারেননি। প্রিয়াঙ্কা বলছেন, "এখনই বলব না আমি ওই মাছটাকে কিস করেছি কি না।" সোনাক্ষি সিনহা আবার দাবি করেছেন তিনি অনস্ক্রিন চুম্বনের দৃশ্যে অভিনয় করতে বেশ সাবলিল। আসলে দাবাং গার্ল সোনাক্ষি আইটেম ড্যান্সের রানী হতে চান। আর কে না জানে আইটেম ড্যান্সার হতে হলে চুম্বনের দৃশ্যে একেবারে ফাটিয়ে দিতে হয়। অবশ্য সোনাক্ষির রাজনীতিবিদ তথা অভিনেতা বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা ওসব পছন্দ করেন না। কে জানে হয়ত এসব দেখার পর সোনাক্ষিকে বলে বসবেন, খামোস...।




`আই, মি অর হাম` সিনেমায় জন আব্রাহামকে কিস করা চিত্রাঙ্গদা সিং বললেন, তিনি নাকি ওই দৃশ্যে অভিনয় করে দারুণ আনন্দ পেয়েছেন। তারকা গল্ফারের গার্লফ্রেন্ড চিত্রাঙ্গদা বলেছেন, "আমি জনের সঙ্গে চুম্বনের দৃশ্যে অভিনয় করে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যই বোধ করেছি।"

সোনম কপুরকে যশরাজ ফিল্মসের পরবর্তী সিনেমায় বিকিনি পরবেন বলে জানা গেল। তবে এটাও গুজব সোনমকে নাকি এই প্রথমবার লিপলক করতে দেখা যাবে।
বলিউডের ললনারা যখন এতটা সাহসী তখন কিছুটা অন্য কথা বলেন নতুন এক হিরো। তিনি গায়ক থেকে হিরো হওয়া আলি জাফর। অদিতি রাও হায়দারির সঙ্গে তার ছবি `লন্ডন, প্যারিস, নিউইয়র্ক`এ চুম্বন করতে দেখা গেছে আলিকে। কিন্তু `তেরে বিন লাদেন`-এ অভিনয় করে মন কাড়া আলি জাফর বলেছেন, তিনি আর অনস্ক্রিনে কিস করতে পারবেন না। কারণ তিনি নাকি ওসব প্রকাশ করতে বেশ লজ্জা পান‌!
বুঝে দেখুন কথা। এজন্য বলে সত্য সেলুকাস, কি আজব এই বলিউড...

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।