কঙ্কনা-রণবীরের সম্পর্কে চিড়?

Update: September 13, 2012 14:59 IST

৩ সেপ্টেম্বর ২০১০। মুম্বইয়ের ইসকন মন্দিরে একেবারই 'অ'বলিউডি স্টাইলে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন রণবীর শোরে-কঙ্কনা সেন শর্মা। কেতাদুরস্ত বিগ বাজেট বলিউডি ছবি থেকে দূরে থাকা এই হটকে জুটি নিজস্ব জায়গা করেছিলেন বলিউডে। তবে এবার বোধহয় ভাঙতে চলেছে এই জুটি।

জল্পনাটা দানা বাঁধছিল কয়েকমাস আগে থেকেই। গত মে মাসে একটি ছবির স্ক্রিনিংয়ে আলাদা আলদা গেছিলেন রণবীর-কঙ্কনা। তাঁরা বসেনও প্রায় এক মাইল দূরত্বে। একটিমাত্রও বাক্য বিনিময় না করেই কাটিয়ে দেন সারা সন্ধে। এমনকী বাড়িও ফিরেছিলেন আলাদা। তারপর থেকেই কানঘুষো চলছিল তাঁরা নাকি এখন আর এক ছাদের তলায়ও থকছেন না। তবে কঙ্কনা এই বিষয়ে সাংবাদিকদের এড়িয়ে গেলেও রণবীরের স্পষ্ট জবাব ছিল, "আমরা কোনও কনজয়েন্ড টুইনস নই যে সবসময়ে একসঙ্গে জুড়ে থাকতে হবে"‌!

হাল ছেড়ে দিয়েছেন রণবীর-কঙ্কনার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাও। তাঁদের সম্পর্ক এতটাই তিক্ত হয়ে উঠেছে যে কোকো নাকি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করতে চলেছেন। কোকোর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সূত্রে খবর, রণবীরের সঙ্গে তাঁর প্রায় ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগানোর অনেক চেষ্টা করেছিলেন কোকো। কিন্তু চক আর চিজ কোনওভাবেই মেলানো যায় না। এক ছদের তলায় না থাকা পর্যন্ত দুজন দুজনকে চেনা যায় না।

২০০৭ সালে সম্পর্কের সূত্রপাত কোন-রণবীরের। বহুবার বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রায় ৩ বছর ঝুলিয়ে রেখেছিলেন তাঁরা। শেষপর্যন্ত ২০১০-এ বিয়ে করেন তাঁরা। বিয়ের পরই মালাড-এ নতুন ফ্ল্যাট কেনেন কোকো। প্রথম সন্তানও আসে তাঁদের জীবনে। বরাবরই টিনসেল টাউনের চাকচিক্যর আড়ালে থাকা কোকো-রণবীরের সম্পর্ক যথেষ্ট মজবুত বলেই এতোদিন ধারণা ছিল সকলের। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাঁদের সম্পর্কও হয়তো দীর্ঘস্থায়ী হল না।





Post Your Comment

Total Comments:1

Very sad news, this should not be happened.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।