বেটি-বি`কে দেখলেন মাধুরী

Update: June 22, 2012 18:45 IST

অন্দরমহলকে প্রচারের আলো থেকে বরাবরই আড়াল করে এসেছে বচ্চন পরিবার। `বি-টাউনের` হাতে গোনা অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নিমন্ত্রিত ছিলেন অভি-অ্যাশ`এর বিয়েতে। তার থেকেও কম বলিউড সদস্যের তাঁদের কন্যা আরাধ্যাকে দেখার সৌভাগ্য ঘটেছে ।

এবার সেই সৌভাগ্য ঘটল মাধুরী দীক্ষিত নেনের। `ঝলক দিখলা যা`র সেটে `বোল বচ্চন`এর প্রোমোশনের জন্য উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বচ্চন, অজয় দেবগন। সেখানেই নিজের মোবাইলে তোলা আরাধ্যার ছবি দেখালেন মাধুরীকে। স্বাভাবিক, স্বতঃস্ফুর্ত উচ্ছ্বাস ধরা পরে যায় তাঁর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায়। গর্বের হাসির রেখা ফুটে ওঠে অভিষেকের ঠোঁটে। হাসি ধরা পড়ে উপস্থিত করণ জোহরের ঠোঁটেও। এখন ফ্যানেরা `বেটি-বি`র চেহারা দেখার আশ্বাস পেলেই হয়ত আশীর্বাদের হাসি হাসবে সারা দেশই।

Post Your Comment

Total Comments:1

EI NEWSGULO DEKHLE MONE HOY BACHCHAN PARIBAR CHARA R KARUR BARITEI NATI NATNI NEI !!! RASTAY PORE THAKA EKTI MEYEKE TULE ENE NIJER MEYE PORICHOYE MANUSH KORCHEN MITHUN CHAKRABORTY .... ATHCHO ARADHYA JEHETU BACHCHAN PARIBARER NATNI TAI JONYE ATO T R P ... CHIH ... LAJJA .... PRESS RAI BA E GULO NIYE ATO MATAMATI KORE KANO BUJHI NA ... BACHCHATAKE BORO HOTE DIN ... NA HOLE BACHCHATA BUJHE JAABE JE EI BOYOSEI TAR T R P ATOTA HIGH !!!!!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।