খানেরা আর ধোনিই সবচেয়ে ধনী

Update: January 24, 2013 21:59 IST

শাহরুখ খান, মহেন্দ্র সিং ধোনিকে এক বিন্দুতে এনে দিল এক সমীক্ষা। দুজনেই নিজেদের ক্ষেত্রে একেবারে সেরা জায়গায় নেই। কিন্তু তাতে কী! রোজগার ও জনপ্রিয়তার নিরিখে তারাই এখন দেশবাসীর সেরা পছন্দ। গত দু বছর ধরে বক্স অফিসের রিপোর্ট বলছে শাহরুখ খান এখন আর বলিউডের এক নম্বর নেই। বক্স অফিস সাফল্যের শেষ কথাও তিনি আর নেই। তবু শাহরুখই ফোর্বস ম্যাগাজিনে দেশের সেরা ১০০ জন সেলিব্রিটির তালিকায় সবার উপরে।

অন্যদিকে একের পর এক হারের ধাক্কায় সিংহাসন টালমাটাল হতে চলা মহেন্দ্র সিং ধোনি দেশের ধনীতম ক্রীড়াব্যক্তিত্ব নির্বাচিত হলেন। অথচ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে হারের পর ব্র্যান্ড ভ্যালু বড়সর রকম ধাক্কা খেয়েছিল ধোনির। আর এই একটা বিষয় আরও একটা জিনিস পরিষ্কার করে দিল। হার-জিত যাই আসুক, ক্রিকেটই ভারতের খেলার শেষ কথা।

আর বক্স অফিসের `টাইগার` সলমন রয়েছেন দুই নম্বরে। সলমনের রোজগারের পরিমান ১৪৪.২ কোটি টাকা।

শাহরুখ, সলমন, ধোনি ছাড়াও প্রথম দশে জায়গা পেয়েছেন অক্ষয় কুমার, অমিতাভ বচ্চন, সচিন তেন্ডুলকর, করিনা কপুর, বীরেন্দ্র সেওয়াগ, বিরাট কোহলি ও ক্যাটরিনা কাইফ। জনপ্রিয়তার নিরিখে সলমন ও ধোনি শাহরুখের থেকে এগিয়ে থাকলেও আর্থিক রোজগারের হিসেবেই বাজিমাত করেছেন কিং খান। অক্টোবর ২০১১ থেকে সেপ্টেম্বর ২০১২-র মধ্যে তাঁর রোজগারের পরিমান ২০২.৮ কোটি টাকা। যেখানে ধোনির রোজগারের পরিমান ১৩৫.১৬ কোটি টাকা।

অভিনেতা, পরিচালক, ক্রীড়াব্যক্তিত্ব, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব, সঙ্গীতজ্ঞ, লেখক, মডেল ও কৌতূকাভিনেতাদের মধ্যে থেকে রোজগার ও জনপ্রিয়তার নিরিখে ১০০ জন প্রভাবশালীর তালিকা প্রকাশ করে ফোর্বস। অভিনয় ও খেলাধূলোর ক্ষেত্রে শাহরুখ ও ধোনির পাশাপাশি সঙ্গীত জগতের তারকাদের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছেন এ. আর, রহমান। সেরা টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মালাইকা অরোরা খান ও সেরা পরিচালক করণ জোহর। সবথেকে প্রভাবশালী লেখক চেতন ভগত, কৌতূকাভিনেতা বীর দাস ও মডেল এষা গুপ্তা।

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী ত্রিশোর্ধ ভারতীয়রাই প্রভাব বিস্তার করলেও সাইনা নেহওয়াল, বিরাট কোহলি, অনুষ্কা শর্মা ও সানিয়া মির্জার মতো ১২ জন তরুণ তুর্কীও জায়গা করে নিয়েছেন প্রথম পঞ্চাশের মধ্যে। কনিষ্ঠতম প্রভাবশালী ভারতীয় সাইনা নেহওয়াল(২৩)।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।