ঠাট্টা করে বিপাকে সইফ

Update: July 31, 2012 21:39 IST

সাম্প্রতিককালে খবরের শিরোনামে উঠে থাকাটা প্রায় রোজকারে অভ্যাসে পরিণত হয়েছে সইফ আলি খানের। কখনও নবাব হওয়ার খবর, তো কখনও করিনা কাপুরের সঙ্গে তাঁর গাঁটছড়া বাঁধার খবর। ২০১২ সালের প্রথমার্ধে খবরের শীর্ষে ছিলেন তিনিই। তবে এবারে তাঁর শিরোনামে থাকা যথেষ্ট অনভিপ্রেত। সমস্যার উৎপত্তিস্থল যে সুদূর হলিউড!

একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে পতৌদির নবাব জানান যে তাঁর পরবর্তী ছবির জন্য তিনি হলিউডের একাডেমী পুরষ্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী নাতালি পোর্টম্যান নাকি রাজি হয়েছেন। তারপরই নাকি এটা নিছকই মজা বলে হাসির ছলে উড়িয়েও দেন সইফ। তবে থেমে থাকেননি স্বয়ং পোর্টম্যান। সইফের মন্তব্যের কিছুদিন পরই পোর্টম্যানের প্রতিনিধির তরফ থেকে তাঁর এইরূপ মন্তব্যের কারণ জানতে চেয়ে সইফকে আইনি নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।

তাঁর এই ঠাট্টা নিয়ে নাতালিয়ে পোর্টম্যানের এহেন বাড়াবাড়িতে যথেষ্টই বিরক্ত হয়েছেন সইফ। সত্যি ঘটনা যাই হোক। খবরে থাকার সইফের এই অভিনব প্রচেষ্টা কিন্তু সত্যিই তারিফ করার মতো।

Post Your Comment

Total Comments:1

khub bhalo

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।