অস্কারে এবার 'লাইফ অফ পাই' বনাম স্পিলবার্গ

Update: January 10, 2013 23:40 IST

এবারের অস্কার পুরস্কারের মনোনয়নে কোনও ভারতীয় ছবি ঠাঁই পেল না ঠিকই, কিন্তু ভারতীয়দের অভিনীত অথবা গান গাওয়া সিনেমা আধিপত্য দেখাল। শ্রেষ্ঠ গানের (নিজস্ব) বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী বম্বে জয়শ্রী ওরফে জয়শ্রী রামনাথ। 'লাইফ অফ পাই' ছবিতে তাঁর গাওয়া 'লালেবি' গানটি রয়েছে অস্কারের দৌড়ে। এই গানটির কথা জয়শ্রী নিজেই লিখেছেন।
 
অনুপম খের অভিনীত `সিলভার লাইনিং প্লে বয়`ও ইরফান খান, টাবু, আদিল হুসেন অভিনীত ` লাইফ অফ পাই'। এই দুটি সিনেমা অস্কারের মনোনয়ন পর্বে একাধিক বিভাগে স্থান পেল।


বৃহস্পতিবার ৮৫ তম অস্কারের মনোনয়নে সবচেয়ে বড় চমক দিল " লাইফ অফ পাই"। তিন ভারতীয় অভিনীত এই ছবি ১১টি বিভাগে মনোনয়ন পেল। অ্যাং লি পরিচালিত এই ছবিটি বক্স অফিসেও সাড়া ফেল দিয়েছিল। সিনেমার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে আছে ভারতের কথা।


ডেভিড ও`রাসেলের হলিউডি রোমান্টিক কমেডি সিনেমা `সিলভার লাইনিং প্লে বয়` ৮৫ তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডে আটটা বিভাগে মনোনয়ন পেল। এই ছবিতে ডক্টর পাটেল নামের এক চরিত্রে অভিনয় করেন অনুপম। তাঁর অভিনয় প্রশংসিতও হয়। যে খবর শুনে অনুপম খের বললেন, এটাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় মুহূর্ত।

তবে অস্কার মনোনয়নের সবচেয়ে বড় শিরোনামে থাকলেন স্টিফেন স্পিলবার্গ। অস্কার পুরস্কার জেতাটা প্রায় অভ্যাসে পরিণত করা কিংবদন্তি এই ফিল্মমেকারের এ বছরের সিনেমা `লিংকন`("Lincoln") ১২টি বিভাগে মনোনয়ন পেল। ১৯৯৩ সালে স্পিলবার্গের ছবি সিনডেলার্স লিস্ট ছবিটি ১২ টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছিল। সেবার স্পিলবার্গের ছবি জিতেছিল ৭টি অস্কার। এবার স্পিলবার্গ পরিচালিত `লিংকন`সেরা পরিচালক, সেরা ছবি সহ আরও ১১টি বিভাগে মনোনয়ন পায়। আজকের মনোনয়ন দেখেই পরিষ্কার ২৪ ফেব্রুয়ারি লস এঞ্জেলসে অস্কারের মূল অনুষ্ঠানে ছায়াযুদ্ধটা অ্যাং লির `লাইফ অফ পাই` আর স্টিফেন স্পিলবার্গের `লিংকন`-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।









Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।