তিস্তার জল জটিলতার জন্য নাম না করে মমতাকেই দায়ী করলেন প্রণব

শরিকি রাজনীতির বাধ্যবাধকতায় তিস্তা চুক্তি রূপায়ণ করা যায়নি। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে একথা বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়। রবিবার ঢাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিদেশমন্ত্রী দীপু মণির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

Updated By: May 6, 2012, 10:00 PM IST

শরিকি রাজনীতির বাধ্যবাধকতায় তিস্তা চুক্তি রূপায়ণ করা যায়নি। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে একথা বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়। রবিবার ঢাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিদেশমন্ত্রী দীপু মণির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। তিস্তা চুক্তি দ্রুত রূপায়ণের বিষয়ে শেখ হাসিনাকে আশ্বাস দেন প্রণববাবু। সোমবার দিল্লিতে দুদেশের  জয়েন্ট কনসাল্টটেটিভ কমিশনের বৈঠকে যোগ দেবেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী।  তিস্তা চুক্তি রূপায়ণ না করা যাওয়ার কারণ হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম না-নিলেও প্রণববাবুর পরিষ্কার ইঙ্গিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের দিকেই। তিনি বলেন, "জোট রাজনীতির বাস্তবতার জন্যই গত বছর প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরে তিস্তা চুক্তি রূপায়ণ করা যায়নি। আন্তর্জাতিক চুক্তি রূপায়ণে কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব থাকলেও সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের সঙ্গে সহমতে পৌঁছনো প্রয়োজন।"
বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে এদিন শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কথা হয়। বৈঠকে, মণিপুরে বরাক নদীর ওপর টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে বিতর্কের সমাধানে দুদেশের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে সাব-কমিটি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষতি হয় এমন কোনও পদক্ষেপ ভারত নেবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রণববাবু। সোমবার দুদেশের প্রথম জয়েন্ট কনসাল্টটেটিভ কমিশনের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি আসছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী দীপু মণি। বৈঠকে বিদেশমন্ত্রী এসএম কৃষ্ণার সঙ্গে যৌথ পৌরহিত্য করবেন তিনি। তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি, বন্দি প্রত্যর্পণ, বাণিজ্য, সীমান্তের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। পরে, বিজ্ঞান ভবনে রবীন্দ্রনাথের জন্ম সার্ধশতবর্ষের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী। শনিবার ম্যানিলা থেকে ঢাকা পৌঁছন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রবীন্দ্রনাথের জন্ম সার্ধশতবর্ষের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে দুদেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেন শেখ হাসিনা ও প্রণব মুখোপাধ্যায়।
 

.