রাজ-থ্রি: প্রাক্তন বান্ধবীর সঙ্গে সম্পর্ক পতনের গল্প বলবেন বিক্রম ভট

Update: August 6, 2012 21:00 IST

"জিসম টু"-এর সাফল্যের সেলিব্রেশনের ব্যস্ততা এখনো শেষ হয়নি। ইতিমধ্যেই ভট ক্যাম্পে "রাজ থ্রি" নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়ে গেছে। ছবির পরিচালনায় বিক্রম ভট। বলিউডে গুঞ্জন, তাঁরই জীবনের কিছু ঘটনার উপর ভিত্তি করে ছবিটি তৈরি হয়েছে। ফিল্মটি যুগ্মভাবে প্রযোজনা করছেন মহেশ ভট ও মুকেশ ভট।

"রাজ থ্রি"-এর `ফার্স্ট লুক` লঞ্চ করার সময় মহেশ জানান, বলিউড ইন্ডাস্ট্রিরই তিন জনের জীবন অবলম্বনে ছবিটি তৈরি হয়েছে। সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে রয়েছেন বিপাশা বসু, ইমরান হাসমি ও ঈশা গুপ্তা। ছবির মুখ্য বিষয় হল, বিপাশা বসুর খাদের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা কেরিয়র, লেখক শাগুফতা রাফিকের জীবনে হঠাৎ এমন কিছু লোকের আবির্ভাব যাঁরা ডার্ক ম্যাজিক দিয়ে মানুষের ক্ষতি করে এবং একজন নায়িকা, যিনি কেরিয়রের সিঁড়ি চড়তে পরিচালক বিক্রম ভটকে ব্যবহার করেছেন।

পরে মহেশ ভট এক দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান বলেন, বিক্রম ভটকে যে নায়িকা পেশাদারী মই চড়তে ব্যবহার করেছিলেন তিনি আর কেউই নন, স্বয়ং আমিশা প্যাটেল। ২০০২-এ "আপ মুঝে আচ্ছে লাগনে লাগে"-এর সেটে বিক্রমের সঙ্গে আমিশার আলাপ। বেশ কিছুদিন `বি-টাউনে` এই দুজনকে একসঙ্গে ডেট করতে দেখা যায়। এমন কী তাঁদের বিয়ের করার সম্ভবনার কথাও কানাঘুষো শনা যেতে থাকে। কিন্তু ২০০৮-এ এই দম্পতির ব্রেক-আপ হয়ে যায়।

মনে করা হচ্ছে `রাজ-থ্রি` মাধ্যমে তিনি তাঁর প্রতিহিংসাকে উগড়ে দিয়েছেন।





Post Your Comment

Total Comments:1

Lick.................U

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।