চেন্নাই এক্সপ্রেসে ফিরছে রাজ

Update: November 29, 2012 12:18 IST

সালটা ১৯৯৫। চলন্ত ট্রেনের দরজায় হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে নির্ভীক প্রেমিক। প্ল্যাটফর্ম ধরে ছুটে আসছে প্রেমিকা। দূরে দাঁড়িয়ে হেরে যাওয়া দাম্ভিক বাবা। শেষ পর্যন্ত প্রেমিকের হাতে হাত দিয়ে জীবনের রেলগাড়িতে উঠে গেল প্রেমিকা। এই দৃশ্য দেখেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত হাল না ছাড়ার প্রতিজ্ঞা করেছিল হাজার হাজার আপাত সাধারণ প্রেমিক।

ভারতীয় রোম্যান্টিক সিনেমার ইতিহাসে সেরা ক্লাইম্যাক্স সিনের রিমেক বলাটা বোধহয় বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। ১৭ বছর পর প্রেমিকা বদলে গেলেও প্রেমিক রয়েছেন একই। যশ চোপড়ার দিলওয়ালে প্রেমিক রাজ ফিরে আসছে রোহিত শেঠির `চেন্নাই এক্সপ্রেস` চড়ে। এবারে তার দুলহন দীপিকা পাডুকোন।

কাজলের বদলে দীপিকা ছাড়া ১৭ বছর আগের সেই দৃশ্যের প্রায় সবকিছুই এক রেখেছেন রোহিত। এই প্রথম গ্রামের মেয়ের ভূমিকায় দেখা যাবে দীপিকাকে। ট্রেনের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা প্রেমিকের হাতে হাত দিতে হলুদ-সবুজ-কমলা ঘাঘরা চোলিতে প্ল্যাটফর্ম ধরে ছুটে আসবেন দীপিকা।


Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।