রাজেশ খান্নার শেষকৃত্য সম্পন্ন

Update: July 19, 2012 12:27 IST

প্রয়াত সুপারস্টার রাজেশ খান্নার শেষকৃত্য অনুষ্ঠান সম্পন্ন হল মুম্বইয়ে। বেলা ১১টা নাগাদ বান্দ্রায় তাঁর বাড়ি `আশীর্বাদ` বাড়ি থেকে টিনসেল টাউনের সর্বজনপ্রিয় `কাকা`র দেহ নিয়ে যাওয়া হয় ভিলে পার্লের পরমহংস শ্মশানে। সেখানেই হয় শেষকৃত্য অনুষ্ঠান। কন্যা টুইঙ্কেলের ছেলে আরভ রীতি মেনে অন্ত্যেষ্টি-আচার পালন করেন। এদিন শেষযাত্রায় প্রয়াত নায়কের প্রিয় সাদা ফুল দিয়ে সাজানো হয় তাঁর নশ্বর দেহবাদী শকট। গাড়িতে ছিলেন রাজেশ খন্নার স্ত্রী ডিম্পল এবং জামাতা অক্ষয় কুমার।

গতকাল দুপুরে মুম্বইয়ে নিজের বাড়িতেই জীবনাবসান হয় ক্যানসার-আক্রান্ত ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রথম সুপারস্টারের। এদিন সকাল থেকেই তাঁকে অন্তিম বিদায় জানানোর জন্য প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করে আশীর্বাদের সামনে ছিল অগণিত ভক্তের ভিড়। জমায়েত সামলাতে রীতিমতো নাজেহাল হতে হয় পুলিসকে। দুরদুরান্ত থেকে প্রিয় নায়ককে অন্তিম বিদায় জানাতে এসেছেন অনেকে। গতকালের পর এদিনও অমিতাভ বচ্চন-সহ বলিউড ও রাজনীতি জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা প্রয়াত সুপারস্টারকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য হাজির হন। বৃহস্পতিবার সকালে মুম্বই পুলিসের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনীর ব্যবস্থা করা হয় আশীর্বাদের সামনের রাস্তা জুড়ে। সকাল ১০টার কিছুক্ষণ পর শুরু হয় সত্তরের দশকের বলিউড আইকনের শেষযাত্রা।

Post Your Comment

Total Comments:1

Ekta jug sesh hoye gelo,RAJESH KHANN AMAR RAHE

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।