অক্টোবরেই বিয়ে করছেন সইফ-করিনা

Update: June 3, 2012 15:56 IST

২০০৭-এ তাঁদের প্রেমের খবর ছড়িয়ে পড়তেই জল্পনা শুরু হয়েছিল 'বিয়ের ডেট' নিয়ে। শুরু থেকেই শিরোনামে থাকা জুটির এই পাঁচ বছরে প্রায় ২৫ বার বিয়ের ডেট ঠিক করে ফেলেছে দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। বলা বাহুল্য, প্রত্যেকবারই হতাশ হয়েছেন ফ্যানেরা। তবে এবারে একেবারে ঘোড়ার মুখের খবর। স্বয়ং শর্মিলা ঠাকুর জানিয়েছেন ১৬ অক্টোবর বিয়ে করতে চলেছেন নবাব সইফ আলি খান ও কাপুর খানদানের `সবকি লাডলি বেবো।`

শর্মিলা আরও জানিয়েছেন, হরিয়ানার পতৌদিতে খানদানি বাংলোতেই বাঁধা পড়বেন সইফ-করিনা। দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় পরিজন ও বন্ধুবান্ধবদের উপস্থিতিতে হবে মূল বিয়ের অনুষ্ঠান। তবে গ্র্যান্ড রিশেপসনে উপস্থিত থাকবে প্রায় গোটা বলিউড।

বিয়ের খবর ছড়াতেই করিনার ফ্যানদের কপালে ভাঁজ। দিদি করিশমার মতো করিনাও কি এবার বিদায় জানাবেন গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডকে? সেই আশঙ্কাও উড়িয়ে দিয়ছেন হবু শাশুড়ি। তবে বেশি নয়। বছরে দুটি করে ছবিতে কাজ করবেন করিনা। আপাতত মধুর ভান্ডাকরের 'হিরোইন'-এর কাজ শেষ করে সঞ্জয় বনশালির 'রাম লীল'-য় কাজ করবেন পতৌদির হবু 'বেগম বেবো।' অভিষেক-ঐশ্বর্যর পর এটাই হতে চলেছে 'দ্য মোস্ট অ্যওয়েটেড বিগ ফ্যাট বলিউড ওয়েডিং।'









Post Your Comment

Total Comments:2

best of luck.enjoy happy married life.

BST WISHES UR FUTURE....I M VERY UNHAPPY BCOZ I`LL NOT ATTEND UR MARRIGE CEREMONY////////

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।