অক্টোবরে বিয়ে করছেন না সইফ-করিনা?

Update: July 11, 2012 20:44 IST

২০০৭ থেকে ২০১২। পাঁচ বছর ধরেই চলছে সইফিনার বিয়ে নিয়ে কানাঘুষো। পাঁচ বছরে অন্তত পঞ্চাশ বার তাঁদের বিয়ের দিন ঠিক করেছিলেন ভক্তরা। প্রত্যেকবারই আশাহত হলেও এবার একেবারে ঘোড়ার মুখের খবর হওয়ায় আশায় বুক বেঁধেছিল দেশবাসী। স্বয়ং শর্মিলা ঠাকুর জানিয়েছিলেন ১৬ অক্টোবর বিয়ে করছেন সইফিনা। কিন্তু সেই আশাতেও জল ঢেলে দিলেন সইফ। সবাইকে হতাশ করে এদিনই সইফ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অক্টোবরে বিয়ে করছেন না তাঁরা!

বুধবার সইফ জানান, এখনও বিয়ের দিন নির্দিষ্ট করেননি তাঁরা। করিনার পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পরই বিয়ের দিন নির্দিষ্ট করা হবে। এমনকী কোথায় হবে বিয়ে সেই বিষয়েও এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেননি সইফিনা। তবে বছরের শেষের দিকে বিয়ে করতে পারেন বলে জানিয়েছেন সইফ।

গত জুনেই শর্মিলা জানান বিয়ে করছেন সইফ-করিনা। টুইট করে বিয়ের খবর জানান সোহাও। পতৌদির বাংলোতেই সইফিনা গাঁটছড়া বাঁধছেন বলেও ছড়ায় গুজব। শোনা যায় শর্মিলার বিয়ের শারারাতেই বিয়ে করবেন করিনা। সেই মতো ডিজাইনার ঋতু কুমার নাকি শুরুও করে দিয়েছিলেন শারারাটিকে আবার নতুন করে তোলার কাজ। এমনকী শোনা গেছিল বিয়ে করবার জন্যই নাকি সঞ্জয় লীলা বনশালীর ছবি `রামলীলা` থেকেও বাদ পড়েছেন তিনি। এই সব কিছুর মধ্যেই সইফের বক্তব্য একেবারে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো। তবে কি সঞ্জয়ের ছবি থেকে বাদ পড়ার জন্যই বিয়ে পিছোলেন করিনা? নাকি একেবারেই অন্য কোনও কারণে দিন ঘোষণা করেও তা পিছিয়ে দিলেন সইফিনা?






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।