পাকিস্তান যাওযার খবর উড়িয়ে দিলেন সলমন

Update: July 13, 2012 16:51 IST

গুজব রটার আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তান যাওয়ার খবর উড়িয়ে দিলেন সলমন। `এক থা টাইগার` ছবির মুক্তি নিয়ে জটিলতা কাটাতে পাকিস্তানে যাওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়ে দিলেন সল্লু। সম্প্রতি সলমন খান ও ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত এই ছবির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে পাকিস্তানের ইলেকট্রনিক মিডিয়া রেগুলেটরি অথরিটি। তাদের যুক্তি, ছবিটিতে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো হয়েছে। `আই এস আই` এবং `র`-এর কার্যকলাপকে প্রকাশ্যে আনা হয়েছে এই ছবিতে। ওই সংস্থার মতে, ছবিটি `আই এস আই` বিরোধী। গুজব রটেছিল পাকিস্তানে ছবিটির মুক্তি নিয়ে জটিলতা কাটাতে মুখ্য অভিনেতা সলমন খান ও পরিচালক কবীর খান সে দেশে যেতে পারেন।

বৃহস্পতিবার দুজনেই অবশ্য সে খবর উড়িয়ে দিয়েছেন। ছবিটির প্রথম গান `মাসাল্লাহ্`-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে তাঁরা একথা জানান। সলমন বলেন, সংবাদপত্রেই তিনি তাঁদের পাকিস্তান যাওয়ার খবর জানতে পারেন। তবে প্রয়োজন হলে ছবিটির প্রদর্শনের জটিলতা কাটাতে অবশ্যই তাঁরা সে দেশে যাবেন বলেও জানিয়েছেন সলমন। অন্যদিকে পরিচালক কবীর খানও স্পষ্ট করে দেন আপাতত পাকিস্তানে যাওয়ার কোনও পরিকল্পনা তাঁদের নেই। কবীর খান বলেন, সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র না পাওয়াতেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রে `এক থা টাইগার`-এর ট্রেলর সম্প্রচারের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।

আগামী ১৫ আগস্ট সারা বিশ্বে মুক্তি পাচ্ছে `এক থা টাইগার।`







Post Your Comment

Total Comments:1

ek tha tiger should release

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।